Dhaka ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ জেলার ২-এ রজনীকান্তের সঙ্গে হৃতিকের চমক, ৪০ বছর পর একসঙ্গে পর্দায় আইনগত সহায়তায় ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ, নতুন অধ্যাদেশ জারি ডিসেম্বরের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে পঞ্চবটি-মুক্তারপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : সড়কমন্ত্রী কালুখালীর মদাপুরে ১৩ পূজামণ্ডপের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির মতবিনিময় পত্নীতলায় ৫০০ লিটার ওয়াশ ও ৯০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ রাজবাড়ীতে গাভী পালনবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মান্দায় ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ জেলের কারাদণ্ড, জাল ও ইলিশ জব্দ

আইনগত সহায়তায় ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিচারপ্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালীর হোটেল অবকাশে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমানো এবং বিচারব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব হলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। এ লক্ষ্যে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের নিষ্ঠা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর্মকর্তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি কাজ করার এবং তাঁদের জীবন ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। এ অভিজ্ঞতা তাঁদের পেশাগত জ্ঞান সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে বিচারিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ও মানসম্মত রায় দিতে সহায়ক হবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা কর্মকর্তাদের বিচারিক উপলব্ধিকে গভীর করে। বিচারকরা রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন, আর আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের বিচারপ্রাপ্তির পথে বাধা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো গেলে বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। যানবাহনসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে বিকল্প ব্যবস্থা এবং ছুটিসংক্রান্ত বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের সাফল্য মূল্যায়নে শুধু কার্যক্রম পরিচালনা নয়, এর মাধ্যমে অর্জিত ফলাফলও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রমের অর্জন ও অগ্রগতির একটি ইতিবাচক চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনে জনসেবার মানসিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জনগণের সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাকে (জাইকা) ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাইকার ‘অ্যাকসেস টু জাস্টিস’ প্রকল্পের প্রধান উপদেষ্টা তাকুরো ফুজিওকা এবং আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম।

চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের জন্য প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ৩৩ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আইনগত সহায়তায় ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিচারপ্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালীর হোটেল অবকাশে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমানো এবং বিচারব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব হলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। এ লক্ষ্যে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের নিষ্ঠা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর্মকর্তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি কাজ করার এবং তাঁদের জীবন ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। এ অভিজ্ঞতা তাঁদের পেশাগত জ্ঞান সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে বিচারিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ও মানসম্মত রায় দিতে সহায়ক হবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা কর্মকর্তাদের বিচারিক উপলব্ধিকে গভীর করে। বিচারকরা রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন, আর আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের বিচারপ্রাপ্তির পথে বাধা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো গেলে বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। যানবাহনসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে বিকল্প ব্যবস্থা এবং ছুটিসংক্রান্ত বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের সাফল্য মূল্যায়নে শুধু কার্যক্রম পরিচালনা নয়, এর মাধ্যমে অর্জিত ফলাফলও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রমের অর্জন ও অগ্রগতির একটি ইতিবাচক চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনে জনসেবার মানসিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জনগণের সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাকে (জাইকা) ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাইকার ‘অ্যাকসেস টু জাস্টিস’ প্রকল্পের প্রধান উপদেষ্টা তাকুরো ফুজিওকা এবং আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম।

চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের জন্য প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ৩৩ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।