১৩-০ থেকে ১-০, বাংলাদেশের উন্নতির আভাস

- প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 6

প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ১৩ গোল হজম করে বিধ্বস্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। দুই দিন পর সেই দলই জাপানের বিপক্ষে দাঁড়াল অনেকটা বদলে যাওয়া চেহারায়। রক্ষণ সামলে প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে দিল লম্বা সময়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য হার এড়ানো যায়নি। তবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হকিতে জাপানের কাছে ১-০ গোলের হারেও কিছুটা স্বস্তি খুঁজে নিতে পারে বাংলাদেশ।
খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত
বৃহস্পতিবার ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। অলিম্পিয়ান সুরজিৎ সিং হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে কোনো গোল হজম করেনি লাল-সবুজের দল। তবে তৃতীয় কোয়ার্টারে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের প্রতিরোধ।
ম্যাচের ৪০তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে জাপানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রাইকি ফুজিশিমা। এরপর সমতায় ফেরার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি বাংলাদেশ।
অথচ এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা ছিল। গত মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের কাছে ১৩-০ গোলে হেরেছিল তারা। শক্তিশালী ভারতীয়দের সামনে কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা।
ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
সেই তুলনায় জাপানের বিপক্ষে রক্ষণভাগে অনেক বেশি সংগঠিত ছিল বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে খেলোয়াড়দের মধ্যে সমন্বয়ও ছিল আগের ম্যাচের চেয়ে ভালো। ফলে পুরো ম্যাচে একবারের বেশি বাংলাদেশের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি জাপান।
এই পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য কিছুটা হলেও ইতিবাচক। বিশেষ করে গত মাসে জাপানে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসে একই প্রতিপক্ষের কাছে ৬-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেই জাপানের বিপক্ষে ব্যবধান এক গোলে নামিয়ে আনা অন্তত রক্ষণভাগের উন্নতিরই ইঙ্গিত।
এদিকে ম্যাচটি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ হকি খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমির জন্য ছিল বিশেষ একটি উপলক্ষ। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের (এফআইএইচ) আনুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী, জাপানের বিপক্ষে এটি ছিল জিমির ১৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এই মাইলফলক স্পর্শ করায় ম্যাচ শুরুর আগে তাকে সম্মাননা দেন টুর্নামেন্টের আয়োজকেরা।























