যেভাবে এড়িয়ে চলবেন ডিপফেকের ফাঁদ

- প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 14

অনলাইনে দেখা কোনো ছবি বা ভিডিও সত্যি, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি, তা বোঝা দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আগে ছবির অস্বাভাবিকতা দেখে ভুয়া কনটেন্ট চেনা যেত। এখন সেই সুযোগও কমে এসেছে। তাই শুধু চোখের দেখায় বিশ্বাস না করে তথ্যের উৎস, ঘটনার প্রেক্ষাপটও যাচাই করা জরুরি।
প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য
একসময় এআই দিয়ে তৈরি ছবি বা ভিডিওতে কিছু অস্বাভাবিকতা থাকত। কারও হাতে আঙুল বেশি দেখা যেত, মুখের গড়নে অসঙ্গতি কিংবা চোখের দৃষ্টিতে অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ত। এখন প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এসব ত্রুটি অনেকটাই দূর হয়েছে।
অনলাইন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান নর্ডভিপিএনের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মারিজুস ব্রিয়েডিস প্রযুক্তি সাময়িকী ম্যাশেবলকে বলেন, এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের পুরোনো ত্রুটিগুলো এখন আর সহজে চোখে পড়ে না। আর নতুন কোনো ত্রুটি শনাক্ত করার কৌশল প্রকাশিত হলে এআই কোম্পানিগুলো দ্রুত সেটি ঠিক করে ফেলেন। ফলে শুধু ছবির দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য দেখে ভুয়া কনটেন্ট চেনার কৌশল বেশিদিন কার্যকর থাকে না।
এতে শুধু ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকিই বাড়ছে না, বাড়ছে আর্থিক প্রতারণাও।
ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব
তাহলে চোখের দেখায় বিশ্বাস করা না গেলে কী করবেন? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিজের আবেগ, যুক্তিবোধ এবং ডিজিটাল যাচাইয়ের উপায় কাজে লাগাতে হবে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ছবি বা ভিডিওতে এআইয়ের ভুল খোঁজার চেয়ে সেটির উৎস যাচাই করা বেশি জরুরি।
ধরা যাক, কোনো রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের একটি ছোট ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি দেখেই সিদ্ধান্ত না নিয়ে পুরো বক্তব্য বা সাক্ষাৎকার খুঁজে বের করুন। একই ঘটনা নিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যম কী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা-ও দেখুন।























