বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
১২০ কোটি ডলার ঋণ ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ লেখক রবার্ট কিয়োসাকির শচীনকে ছাড়িয়ে আরও এক রেকর্ড গড়লেন কোহলি আইডিয়া চুরি করছে এআই, গবেষকদের শঙ্কা ওয়ার্মআপ ম্যাচ ছাড়াই সাফ অভিযান, চিন্তিত নন ডুলি? ক্লডের সঙ্গে দুর্ব্যবহার না করার অনুরোধ অ্যানথ্রপিকের অনুশীলনে কনওয়ের মাথায় আঘাত, ভারতের বিপক্ষে নামার আগে ধাক্কা খেল নিউজিল্যান্ড সেকেন্ডে শরীর ভেদ করে যায় ১০০ ট্রিলিয়ন কণা, ‘গোস্ট পার্টিকেল’ নিউট্রিনো গবেষণায় এবারের নোবেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্রের সন্ধান নিরাপত্তা শঙ্কায় আল-নাসরের সফরে নেই রোনালদো

ফুটবল খেলতে নেমে আর ফেরা হয়নি যাদের, ৫ মর্মান্তিক মৃত্যু

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / 6
ফুটবল খেলতে নেমে আর ফেরা হয়নি যাদের, ৫ মর্মান্তিক মৃত্যু

ফুটবল মাঠে নেমেছিলেন জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু একটি সংঘর্ষই কেড়ে নিল জীবন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মারা গেছেন স্প্যানিশ ফুটবলার হেসুস দে মিগেল। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তেনেরিফের এই স্ট্রাইকারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ফুটবল বিশ্বে।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

তবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও ম্যাচ চলাকালে কিংবা মাঠে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন ফুটবলার। কারও মৃত্যু হয়েছে হৃদ্‌রোগে, কেউ আবার গোল করতে গিয়ে সংঘর্ষের শিকার হয়েছেন। ফুটবল ইতিহাসের তেমনই পাঁচটি ঘটনা ফিরে দেখা যাক।

মার্ক-ভিভিয়েন ফোয়ে (ক্যামেরুন, জুন ২০০৩)

২০০৩ সালের ২৬ জুন। ফ্রান্সের লিওঁতে কনফেডারেশনস কাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ক্যামেরুন ও কলম্বিয়া। ম্যাচের ৭১ মিনিটে হঠাৎ মাঠে লুটিয়ে পড়েন ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার মার্ক-ভিভিয়েন ফোয়ে। আশপাশে প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়ও ছিলেন না। কারও সঙ্গে সংঘর্ষ ছাড়াই মাটিতে পড়ে যান তিনি।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন চিকিৎসকেরা। তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে হৃদ্‌স্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। মাত্র ২৮ বছর বয়সে মারা যান ক্যামেরুনের এই ফুটবলার।

ফোয়ে তখন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে ধারে খেলছিলেন। এর আগে ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেড, লিওঁ ও লাঁসের হয়েও খেলেছেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল দুই জায়গাতেই পরিচিত মুখ ছিলেন এই মিডফিল্ডার।

ফোয়ের মৃত্যুর খবর জানার আগেই কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ক্যামেরুন। পরে ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ জার্সি পরে মাঠে নামেন দুই দলের ফুটবলাররা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ফুটবল খেলতে নেমে আর ফেরা হয়নি যাদের, ৫ মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ফুটবল মাঠে নেমেছিলেন জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু একটি সংঘর্ষই কেড়ে নিল জীবন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মারা গেছেন স্প্যানিশ ফুটবলার হেসুস দে মিগেল। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তেনেরিফের এই স্ট্রাইকারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ফুটবল বিশ্বে।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

তবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও ম্যাচ চলাকালে কিংবা মাঠে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন ফুটবলার। কারও মৃত্যু হয়েছে হৃদ্‌রোগে, কেউ আবার গোল করতে গিয়ে সংঘর্ষের শিকার হয়েছেন। ফুটবল ইতিহাসের তেমনই পাঁচটি ঘটনা ফিরে দেখা যাক।

মার্ক-ভিভিয়েন ফোয়ে (ক্যামেরুন, জুন ২০০৩)

২০০৩ সালের ২৬ জুন। ফ্রান্সের লিওঁতে কনফেডারেশনস কাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ক্যামেরুন ও কলম্বিয়া। ম্যাচের ৭১ মিনিটে হঠাৎ মাঠে লুটিয়ে পড়েন ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার মার্ক-ভিভিয়েন ফোয়ে। আশপাশে প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়ও ছিলেন না। কারও সঙ্গে সংঘর্ষ ছাড়াই মাটিতে পড়ে যান তিনি।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন চিকিৎসকেরা। তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে হৃদ্‌স্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। মাত্র ২৮ বছর বয়সে মারা যান ক্যামেরুনের এই ফুটবলার।

ফোয়ে তখন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে ধারে খেলছিলেন। এর আগে ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেড, লিওঁ ও লাঁসের হয়েও খেলেছেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল দুই জায়গাতেই পরিচিত মুখ ছিলেন এই মিডফিল্ডার।

ফোয়ের মৃত্যুর খবর জানার আগেই কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ক্যামেরুন। পরে ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ জার্সি পরে মাঠে নামেন দুই দলের ফুটবলাররা।