শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ওয়ার্মআপ ম্যাচ ছাড়াই সাফ অভিযান, চিন্তিত নন ডুলি?

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 16
ওয়ার্মআপ ম্যাচ ছাড়াই সাফ অভিযান, চিন্তিত নন ডুলি?

আগামী বৃহস্পতিবার ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলেই মাঠে নামতে হচ্ছে স্বাগতিকদের। গতকাল রাতেও ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের আলোতে অনুশীলন সেরেছে তারা।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

গত ২৫ অক্টোবর আবাসিক ক্যাম্প শুরুর পর থেকে প্রধান কোচ টমাস ডুলি দল নিয়ে সাত দিন মাঠের অনুশীলন করিয়েছেন। মাঝে মাঝে দিনে দুই বেলাও অনুশীলন হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ কন্ডিশনে দলকে পরখ করে দেখা হয়নি। ফলে ছয় দেশের এই টুর্নামেন্টের জন্য দলের প্রস্তুতি কতটা যথার্থ হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এমনকি খেলোয়াড়েরা নিজেরাও নিজেদের মধ্যে ৯০ মিনিটের কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেননি বলে জানা গেছে। জাতীয় দল কমিটি থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, বিদেশি কোনো দল বা স্থানীয় ক্লাবের সঙ্গে অনুশীলন ম্যাচের আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

গত ২ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচের পর স্থানীয় ফুটবলাররা ক্লাব ফুটবলে ফিরে যান এবং বাংলাদেশ ফুটবল লিগে অন্তত চারটি ম্যাচ খেলেন। অন্যদিকে প্রবাসী খেলোয়াড়েরা যোগ দেন নিজ নিজ দেশের ঘরোয়া লিগে।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

আসিয়ান কাপের দল থেকে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন ডুলি। বাদ পড়েছেন আগের কিছু ফুটবলার, দলে জায়গা পেয়েছেন নতুন বেশ কয়েকজন। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও কোচদের মতে, কয়েকটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা হলে খেলোয়াড়দের মধ্যকার বোঝাপড়া যেমন বাড়ত, তেমনি কোচের খেলার কৌশল ঠিক করাও সহজ হতো।

সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা আসলে প্রধান কোচের ওপর নির্ভর করে। কোচ চেয়েও যদি ফেডারেশন তা আয়োজন করতে না পারে, তবে ফেডারেশনের দোষ দেওয়া যায়। কিন্তু কোচ আদৌ ম্যাচ চেয়েছিলেন কি না, তা আমাদের জানা নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘তবে দু-একটা ম্যাচ খেলা গেলে নিশ্চিতভাবেই ভালো হতো। কারণ দলে কিছু নতুন মুখ এসেছে, আবার কিছু খেলোয়াড় বাদ পড়ার তালিকায় আছে। ম্যাচ খেললে খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হতো এবং কোচের জন্যও নিজের ছক গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকত।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ওয়ার্মআপ ম্যাচ ছাড়াই সাফ অভিযান, চিন্তিত নন ডুলি?

প্রকাশের সময় : ১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আগামী বৃহস্পতিবার ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলেই মাঠে নামতে হচ্ছে স্বাগতিকদের। গতকাল রাতেও ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের আলোতে অনুশীলন সেরেছে তারা।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

গত ২৫ অক্টোবর আবাসিক ক্যাম্প শুরুর পর থেকে প্রধান কোচ টমাস ডুলি দল নিয়ে সাত দিন মাঠের অনুশীলন করিয়েছেন। মাঝে মাঝে দিনে দুই বেলাও অনুশীলন হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ কন্ডিশনে দলকে পরখ করে দেখা হয়নি। ফলে ছয় দেশের এই টুর্নামেন্টের জন্য দলের প্রস্তুতি কতটা যথার্থ হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এমনকি খেলোয়াড়েরা নিজেরাও নিজেদের মধ্যে ৯০ মিনিটের কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেননি বলে জানা গেছে। জাতীয় দল কমিটি থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, বিদেশি কোনো দল বা স্থানীয় ক্লাবের সঙ্গে অনুশীলন ম্যাচের আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

গত ২ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচের পর স্থানীয় ফুটবলাররা ক্লাব ফুটবলে ফিরে যান এবং বাংলাদেশ ফুটবল লিগে অন্তত চারটি ম্যাচ খেলেন। অন্যদিকে প্রবাসী খেলোয়াড়েরা যোগ দেন নিজ নিজ দেশের ঘরোয়া লিগে।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

আসিয়ান কাপের দল থেকে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন ডুলি। বাদ পড়েছেন আগের কিছু ফুটবলার, দলে জায়গা পেয়েছেন নতুন বেশ কয়েকজন। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও কোচদের মতে, কয়েকটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা হলে খেলোয়াড়দের মধ্যকার বোঝাপড়া যেমন বাড়ত, তেমনি কোচের খেলার কৌশল ঠিক করাও সহজ হতো।

সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা আসলে প্রধান কোচের ওপর নির্ভর করে। কোচ চেয়েও যদি ফেডারেশন তা আয়োজন করতে না পারে, তবে ফেডারেশনের দোষ দেওয়া যায়। কিন্তু কোচ আদৌ ম্যাচ চেয়েছিলেন কি না, তা আমাদের জানা নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘তবে দু-একটা ম্যাচ খেলা গেলে নিশ্চিতভাবেই ভালো হতো। কারণ দলে কিছু নতুন মুখ এসেছে, আবার কিছু খেলোয়াড় বাদ পড়ার তালিকায় আছে। ম্যাচ খেললে খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হতো এবং কোচের জন্যও নিজের ছক গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকত।’