Dhaka ০১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদল ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচন হবে : রিজভী ফের যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে: ইরান মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ আজ ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবে’ রূপ নিলো গভীর নিম্নচাপ, বাড়লো সতর্ক সংকেত ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর, বায়ু দূষণের তালিকায় বিশ্বে পঞ্চম আবারও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন কট্টর ফিলিস্তিনপন্থি লুলা চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের ‘পেটানোর হুমকি’, ক্ষমা চাইতে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ

ফের যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে: ইরান

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4

 

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান হোজ্জাতুল ইসলাম মুসা আহমাদি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু হলে এবং বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দাম আরও বাড়তে পারে।

ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় উল্লেখ করে আহমাদি বলেন, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়বে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমাদি বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুতও কমছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

তার মতে, তেলের দাম বাড়লে শুধু জ্বালানি খাতেই এর প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক জ্বালানি খরচও বেড়ে যাবে। এতে আমদানিনির্ভর তেল ব্যবহারকারী দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হতে পারে।

আহমাদি বলেন, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও দেশের ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আরও বেশি চাপের মুখে পড়তে হবে। সংকট যত দীর্ঘ হবে, এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিণতি মোকাবিলা করাও তত কঠিন হয়ে উঠবে।

ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় বলেও জানান আহমাদি। তার মতে, জ্বালানি খাতে ইরানের কৌশলগত অবস্থান এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষাসক্ষমতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তেলের দাম কমতে না দিলে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বাড়বে।

এছাড়া ফ্রান্স, পর্তুগাল, আলবেনিয়া ও ইতালিসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জ্বালানিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন আহমাদি। সতর্ক করে বলেন, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও চাপে পড়তে পারে।

সূত্র: মেহের নিউজ

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ফের যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে: ইরান

প্রকাশের সময় : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

 

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান হোজ্জাতুল ইসলাম মুসা আহমাদি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু হলে এবং বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দাম আরও বাড়তে পারে।

ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় উল্লেখ করে আহমাদি বলেন, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়বে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমাদি বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুতও কমছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

তার মতে, তেলের দাম বাড়লে শুধু জ্বালানি খাতেই এর প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক জ্বালানি খরচও বেড়ে যাবে। এতে আমদানিনির্ভর তেল ব্যবহারকারী দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হতে পারে।

আহমাদি বলেন, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও দেশের ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আরও বেশি চাপের মুখে পড়তে হবে। সংকট যত দীর্ঘ হবে, এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিণতি মোকাবিলা করাও তত কঠিন হয়ে উঠবে।

ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় বলেও জানান আহমাদি। তার মতে, জ্বালানি খাতে ইরানের কৌশলগত অবস্থান এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষাসক্ষমতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তেলের দাম কমতে না দিলে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বাড়বে।

এছাড়া ফ্রান্স, পর্তুগাল, আলবেনিয়া ও ইতালিসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জ্বালানিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন আহমাদি। সতর্ক করে বলেন, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও চাপে পড়তে পারে।

সূত্র: মেহের নিউজ