Dhaka ১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বজ্রপাত থেকে রক্ষায় রাজবাড়ীর চরাঞ্চলে দুই শতাধিক তালবীজ রোপণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১১:০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 9

 বজ্রপাত থেকে মানুষ ও প্রাণীকূলকে রক্ষায় দুপুরে রাজবাড়ীর দুর্গম চরাঞ্চলে দুই শতাধিক তালবীজ রোপণ করা হয়েছে। রাজবাড়ীর মেজবাউল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রাজবাড়ী শহর থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে বেতকা চরাঞ্চলে গিয়ে এসব তালবীজ রোপণ করা হয়।

বেতকা গ্রামের পদ্মা নদীর পাড়ে গ্রামীণ রাস্তার দু পাশ দিয়ে রোপণ করা হয় এসব তালবীজ। এসময় গ্রামবাসীও তাদের সহযোগিতা করেন।

তালবীজ রোপণকালে কথা হয় বেতকা গ্রামের বাসিন্দা সাফিয়া বেগমের সঙ্গে। ‘বজ্রপাত’ শব্দটির সাথে তার পরিচয় নেই। স্থানীয় ভাষায় বজ্রপাতকে ‘ঠাডা’ বলেন। সাফিয়া বেগম জানান, বৃষ্টির সাথে জোরে জোরে ঠাডা পড়ে। তখন সবাই ঘরে ঢুকে যান। কিছুদিন আগে ঠাডা পড়ে এই গ্রামের একজনের একসঙ্গে ছয়টি গরু মারা যায়। তালগাছ বজ্রপাত থেকে রক্ষা করে এ বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

মেজবাহ উল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক আজিজা খানম বলেন, মেজবাহ উল করিম রিন্টু ছিলেন শুদ্ধ মানুষ। যিনি মানুষ, বৃক্ষ আর প্রকৃতি নিয়ে কাজ করতেন। রাজবাড়ীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি বহু তালবীজ রোপণ করেছেন। সেগুলো এখন অনেক বড় হয়েছে। এ এলাকায় বজ্রপাত হয় শুনে তারা তালবীজ রোপণ করতে এসেছেন। তারা এ ধারা অব্যাহত রাখতে চান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান, রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশের সাবেক সভাপতি কমল কান্তি সরকার, বর্তমান সভাপতি আহসান হাবীব, শিশুরাজ্যের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, স্কুল শিক্ষক নুরতাজ তাজিয়া, শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, সংগঠনের সদস্য সচিব ফারুক উদ্দিন প্রমুখ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বজ্রপাত থেকে রক্ষায় রাজবাড়ীর চরাঞ্চলে দুই শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রকাশের সময় : ১১:০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 বজ্রপাত থেকে মানুষ ও প্রাণীকূলকে রক্ষায় দুপুরে রাজবাড়ীর দুর্গম চরাঞ্চলে দুই শতাধিক তালবীজ রোপণ করা হয়েছে। রাজবাড়ীর মেজবাউল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রাজবাড়ী শহর থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে বেতকা চরাঞ্চলে গিয়ে এসব তালবীজ রোপণ করা হয়।

বেতকা গ্রামের পদ্মা নদীর পাড়ে গ্রামীণ রাস্তার দু পাশ দিয়ে রোপণ করা হয় এসব তালবীজ। এসময় গ্রামবাসীও তাদের সহযোগিতা করেন।

তালবীজ রোপণকালে কথা হয় বেতকা গ্রামের বাসিন্দা সাফিয়া বেগমের সঙ্গে। ‘বজ্রপাত’ শব্দটির সাথে তার পরিচয় নেই। স্থানীয় ভাষায় বজ্রপাতকে ‘ঠাডা’ বলেন। সাফিয়া বেগম জানান, বৃষ্টির সাথে জোরে জোরে ঠাডা পড়ে। তখন সবাই ঘরে ঢুকে যান। কিছুদিন আগে ঠাডা পড়ে এই গ্রামের একজনের একসঙ্গে ছয়টি গরু মারা যায়। তালগাছ বজ্রপাত থেকে রক্ষা করে এ বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

মেজবাহ উল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক আজিজা খানম বলেন, মেজবাহ উল করিম রিন্টু ছিলেন শুদ্ধ মানুষ। যিনি মানুষ, বৃক্ষ আর প্রকৃতি নিয়ে কাজ করতেন। রাজবাড়ীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি বহু তালবীজ রোপণ করেছেন। সেগুলো এখন অনেক বড় হয়েছে। এ এলাকায় বজ্রপাত হয় শুনে তারা তালবীজ রোপণ করতে এসেছেন। তারা এ ধারা অব্যাহত রাখতে চান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান, রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশের সাবেক সভাপতি কমল কান্তি সরকার, বর্তমান সভাপতি আহসান হাবীব, শিশুরাজ্যের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, স্কুল শিক্ষক নুরতাজ তাজিয়া, শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, সংগঠনের সদস্য সচিব ফারুক উদ্দিন প্রমুখ।