Dhaka ০২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভার‌তে ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে যা‌চ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : হুমায়ুন কবির সাকিব-তামিমের দূরত্ব নিয়ে মুখ খুললেন খালেদ মাহমুদ সুজন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেলের জামিন নওগাঁয় হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতাসহ ৪ জন গ্রেফতার সাইবার অপরাধ ঠেকাতে যুগোপযোগী আইন হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সংকটের অবসান সম্ভব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সদস্যের আত্মসমর্পণ মহাখালীতে ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

সাকিব-তামিমের দূরত্ব নিয়ে মুখ খুললেন খালেদ মাহমুদ সুজন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 6

 

একসময় ছিলেন বন্ধু, পরে দুজনের দূরত্ব এত বাড়ল যে কেউ কেউ ‘শত্রু’ শব্দ ব্যবহার করতেও দ্বিধা করলেন না। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের দূরত্ব এখনও এক রহস্যের বিষয়। তবে তারা দুজনই নিশ্চিত করেছিলেন, তাদের এই দূরত্বের কারণে দল যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তবে প্রথম যখন বুঝতে পারলেন সাকিব-তামিমের মধ্যে আগের সুসম্পর্ক নেই, তখন কেমন বোধ করছিলেন তখনকার টিম ডিরেক্টর? ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিডিক্রিকটাইমকে খুলে বলেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘এটা প্রথমে আসলে বুঝতে পারতাম না। আমরা যতটা চিনি ওরা বেস্ট ফ্রেন্ড। সবসময় একসাথে থাকা, আড্ডা, গল্পগুজব করা।’

দুজনের দূরত্বের কথা শুনে সুজনই সবার আগে আলোচনায় বসলেন তাদের সাথে, ‘একদিন আমি তাদের দুজনের সাথেই বসলাম। তখন শুনলাম ওদের মধ্যে… এটা ওদের পারসনাল লাইফ হতে পারে। তবে দুজনকেই অনুরোধ করেছিলাম, দল ও দেশের স্বার্থে এটা যেন বাইরে না যায়।’

তবে সাকিব-তামিম দুজনই তখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের আর বলে বুঝানোর সুযোগ নেই, ‘ওরা তো বাচ্চা না। কেউ কাউকে এভয়েড করলে আমি তো জোর করতে পারব না। অনূর্ধ্ব-১৮ দলের বাচ্চাদের বলতে পারি- এটা করো, ওটা করো না। জাতীয় দলের হয়ে খেলছে, এত বড়, তাদের তো এসব বলা যায় না।’

তবে সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, ২০২৩ বিশ্বকাপের আগের ঘটনা দলে অস্বস্তির জন্ম দিয়েছিল। যা অনেকেই মনে করেন- বিশ্বকাপে ভরাডুবিরও কারণ ছিল। তিনি বলেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপের আগে সাকিব প্রথম যখন কথাটা বলল, একটু মনে হয় ইয়ে ছিল। পাবলিকলি বলা… ড্রেসিংরুমের কথা কেন বাইরে যাবে? এটা আমার একদম পছন্দ না। ড্রেসিংরুম আমার জন্য পরিবার। সেখানকার কথা হলো পারিবারিক কথা। ঐ ঘটনায় শুরুতে সবাই কিঞ্চিৎ…।’

তবে বিশ্বকাপে গিয়ে এসব ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তারা, ‘ট্যুরে যাওয়ার পর এই কথাই তুলিনি। আমি বলেছিলাম, এটা নিয়ে যেন কোনো কথা না ওঠে। দলে সাকিবের ভক্ত থাকতেই পারে, তামিমের ভক্ত থাকতেই পারে। তবে পেশাদারিত্ব এসবের অনেক ওপরে। যতই ফ্যান হন, আপনি পারফর্ম না করলে সাকিব-তামিম আপনাকে দলে জায়গা দিতে পারবে না।’

তবে সাকিব ও তামিম দুজনই জোর দিয়েই তাকে বলেছিলেন- তাদের দূরত্ব দলে কোনো প্রভাব ফেলেনি। সুজন বলেন, ‘তবে সাকিব-তামিমের সাথে আমি এক জায়গায় একমত, তাদের দূরত্বের কারণে দলের রেজাল্ট খারাপ হয়নি। দিনশেষে সবাই চায় পারফর্ম করতে। এটা পাড়ার দল না যে রাগ করে বলবে আজ ব্যাটিং করব না। এটা আপনার রুটি-রুজি, সম্মান, গৌরব। পারফর্ম করতেই হবে। এখানে কোনো ছাড় ছিল না।’

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাকিব-তামিমের দূরত্ব নিয়ে মুখ খুললেন খালেদ মাহমুদ সুজন

প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

একসময় ছিলেন বন্ধু, পরে দুজনের দূরত্ব এত বাড়ল যে কেউ কেউ ‘শত্রু’ শব্দ ব্যবহার করতেও দ্বিধা করলেন না। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের দূরত্ব এখনও এক রহস্যের বিষয়। তবে তারা দুজনই নিশ্চিত করেছিলেন, তাদের এই দূরত্বের কারণে দল যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তবে প্রথম যখন বুঝতে পারলেন সাকিব-তামিমের মধ্যে আগের সুসম্পর্ক নেই, তখন কেমন বোধ করছিলেন তখনকার টিম ডিরেক্টর? ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিডিক্রিকটাইমকে খুলে বলেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘এটা প্রথমে আসলে বুঝতে পারতাম না। আমরা যতটা চিনি ওরা বেস্ট ফ্রেন্ড। সবসময় একসাথে থাকা, আড্ডা, গল্পগুজব করা।’

দুজনের দূরত্বের কথা শুনে সুজনই সবার আগে আলোচনায় বসলেন তাদের সাথে, ‘একদিন আমি তাদের দুজনের সাথেই বসলাম। তখন শুনলাম ওদের মধ্যে… এটা ওদের পারসনাল লাইফ হতে পারে। তবে দুজনকেই অনুরোধ করেছিলাম, দল ও দেশের স্বার্থে এটা যেন বাইরে না যায়।’

তবে সাকিব-তামিম দুজনই তখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের আর বলে বুঝানোর সুযোগ নেই, ‘ওরা তো বাচ্চা না। কেউ কাউকে এভয়েড করলে আমি তো জোর করতে পারব না। অনূর্ধ্ব-১৮ দলের বাচ্চাদের বলতে পারি- এটা করো, ওটা করো না। জাতীয় দলের হয়ে খেলছে, এত বড়, তাদের তো এসব বলা যায় না।’

তবে সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, ২০২৩ বিশ্বকাপের আগের ঘটনা দলে অস্বস্তির জন্ম দিয়েছিল। যা অনেকেই মনে করেন- বিশ্বকাপে ভরাডুবিরও কারণ ছিল। তিনি বলেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপের আগে সাকিব প্রথম যখন কথাটা বলল, একটু মনে হয় ইয়ে ছিল। পাবলিকলি বলা… ড্রেসিংরুমের কথা কেন বাইরে যাবে? এটা আমার একদম পছন্দ না। ড্রেসিংরুম আমার জন্য পরিবার। সেখানকার কথা হলো পারিবারিক কথা। ঐ ঘটনায় শুরুতে সবাই কিঞ্চিৎ…।’

তবে বিশ্বকাপে গিয়ে এসব ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তারা, ‘ট্যুরে যাওয়ার পর এই কথাই তুলিনি। আমি বলেছিলাম, এটা নিয়ে যেন কোনো কথা না ওঠে। দলে সাকিবের ভক্ত থাকতেই পারে, তামিমের ভক্ত থাকতেই পারে। তবে পেশাদারিত্ব এসবের অনেক ওপরে। যতই ফ্যান হন, আপনি পারফর্ম না করলে সাকিব-তামিম আপনাকে দলে জায়গা দিতে পারবে না।’

তবে সাকিব ও তামিম দুজনই জোর দিয়েই তাকে বলেছিলেন- তাদের দূরত্ব দলে কোনো প্রভাব ফেলেনি। সুজন বলেন, ‘তবে সাকিব-তামিমের সাথে আমি এক জায়গায় একমত, তাদের দূরত্বের কারণে দলের রেজাল্ট খারাপ হয়নি। দিনশেষে সবাই চায় পারফর্ম করতে। এটা পাড়ার দল না যে রাগ করে বলবে আজ ব্যাটিং করব না। এটা আপনার রুটি-রুজি, সম্মান, গৌরব। পারফর্ম করতেই হবে। এখানে কোনো ছাড় ছিল না।’