Dhaka ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0

 

দেশের জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামকে শর্তসাপেক্ষে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর এবং অতিরিক্ত দুই শতাংশ অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনবে। এর অর্থ হলো, সরকার বাল্ক রেটের পাশাপাশি একটি প্রণোদনাও দেবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ ছয়-সাত টাকা হিসাবে এই ব্যবস্থায় ৪০ শতাংশ মুনাফা ও পাঁচ শতাংশ প্রিমিয়ামসহ সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই প্রণোদনা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’

সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচিও চালু করেছে সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।’

ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানিবিদ্যুৎ, বায়ু ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। আমি আশা করি, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলা করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আধা ঘণ্টা ছিল নির্ধারিত। প্রশ্নোকাল পর্ব ছিল। এই পর্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লিখিত আটটি প্রশ্ন ছিল। আধা ঘণ্টা সময়ে চারটি লিখিত প্রশ্ন এবং ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। বাসস

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

দেশের জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামকে শর্তসাপেক্ষে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর এবং অতিরিক্ত দুই শতাংশ অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনবে। এর অর্থ হলো, সরকার বাল্ক রেটের পাশাপাশি একটি প্রণোদনাও দেবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ ছয়-সাত টাকা হিসাবে এই ব্যবস্থায় ৪০ শতাংশ মুনাফা ও পাঁচ শতাংশ প্রিমিয়ামসহ সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই প্রণোদনা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’

সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচিও চালু করেছে সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।’

ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানিবিদ্যুৎ, বায়ু ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। আমি আশা করি, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলা করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আধা ঘণ্টা ছিল নির্ধারিত। প্রশ্নোকাল পর্ব ছিল। এই পর্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লিখিত আটটি প্রশ্ন ছিল। আধা ঘণ্টা সময়ে চারটি লিখিত প্রশ্ন এবং ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। বাসস