৩৩ পদ অনুমোদন, অচিরেই পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হচ্ছে যশোর সিসিইউ
- প্রকাশের সময় : ০৪:১১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 4
হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরবাসীকে আর ঢাকায় কিংবা খুলনায় ছুটতে হবে না। যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) চালুর লক্ষ্যে রাজস্ব খাতে ৩৩টি পদ সৃজনে সম্মতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে জেলায় হৃদরোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালুর পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে।
১৮ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সওব্য-১০ শাখা থেকে জারি করা এক স্মারকে এ সম্মতির কথা জানানো হয়। এর আগে ৩ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠায়। সরকারি স্মারক অনুযায়ী, সিসিইউর জন্য স্থায়ীভাবে ২০টি এবং বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে ১৩টিসহ মোট ৩৩টি পদ সৃজন করা হবে।
সৃজিত পদগুলোর মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি ও এনেসথেসিয়া), জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি ও এনেসথেসিয়া), সহকারী রেজিস্ট্রার, অ্যানেসথেটিস্ট, মেডিকেল অফিসার, নার্সিং সুপারভাইজার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, কম্পিউটার অপারেটর, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, স্টোর কিপার, ফার্মেসি সহকারী, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, টিকিট ক্লার্ক ও রিসেপশনিস্টসহ প্রয়োজনীয় জনবল।
মন্ত্রণালয়ের স্মারকে বলা হয়েছে, পদ সৃজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতি নিতে হবে। পাশাপাশি অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে বেতন স্কেল ভেটিং করতে হবে।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। যশোরে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট অচিরেই চালু হবে, ইনশাআল্লাহ।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, হৃদরোগের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতদিন গুরুতর হৃদরোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরের বাইরে নিতে গিয়ে স্বজনদের সময়, অর্থ ও নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ চালু হলে এ ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। যশোরের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার মানুষও উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, ‘এটা খুবই খুশির খবর। পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট চালু হলে যশোরবাসী অনেক উপকৃত হবে। হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর ঢাকায় বা খুলনায় ছুটতে হবে না। যশোরেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একজন রোগীকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই এই ইউনিট চালু হলে যশোরের মানুষের দীর্ঘদিনের একটি বড় প্রত্যাশা পূরণ হবে।’
এখন প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর অপেক্ষায় রয়েছেন যশোরবাসী।





















