Dhaka ০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সহকর্মীর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বাধ্যতামূলক অবসরে প্রধান শিক্ষক নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম একরামুল হত্যা : সাবেক এমপি বদি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ১ সেপ্টেম্বর থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা কোচিং কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না বিচারকরা বায়ুদূষণে শীর্ষে কুচিং, ঢাকার অবস্থান ষষ্ঠ আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে সোমবার ৭ বছর পর ভারত সফরে আসছেন শি জিনপিং

সহকর্মীর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বাধ্যতামূলক অবসরে প্রধান শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 2

 

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এ আদেশ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।

বিভাগীয় নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।

তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে আমরা চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।

 

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সহকর্মীর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বাধ্যতামূলক অবসরে প্রধান শিক্ষক

প্রকাশের সময় : ১২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এ আদেশ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।

বিভাগীয় নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।

তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে আমরা চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।