Dhaka ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নওগাঁ সীমান্তে ৯৪.৭৫ কেজির বিরল কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার জবির সংঘর্ষের জের ন্যাশনাল মেডিকেলে, চিকিৎসা নিতে গিয়েও হামলার অভিযোগ বেনাপোল দিয়ে সাড়ে ৮ মাস পর ভারত থেকে এলো কাঁচামরিচ পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশ্যে মক্কার পথে নাটোরের দুলাল কালুখালীতে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল তৈরির কারখানায় অভিযান সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘১ বছরের মধ্যে জুলাই হত্যা মামলার বিচার শেষ করতে কাজ করছে প্রসিকিউশন’ পাংশায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ মামলার আসামি মধুখালীতে তীব্র লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন বেরোবিতে বহিরাগত ও সব যানবাহন প্রবেশ নিষিদ্ধ

সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 12

সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার, যা সার্বিক জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা সংবিধানে ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক প্রাক্কালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই দিন-তারিখ ও তালিকা নির্ধারণ করা হবে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা থাকলেও, তা এখনো না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারা সেটি অনুধাবন করে নাম পাঠাবেন। বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠকে এসে কথা বললে যেমন স্বাগতম জানানো হবে, তেমনি বৈঠকের বাইরে লিখিতভাবে দেওয়া তাদের পরামর্শও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

সংবিধান সংশোধনের পথে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিকে কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে প্রত্যাশা হিসেবে দেখছেন তারা। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, শহীদের রক্ত এবং জাতির বিশাল আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কাজ করছে এ কমিটি। এই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধারণ করতে হলে সংবিধান সংস্কারই প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, কেবল রাজনীতিবিদেরাই নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো আগ্রহ প্রকাশ করলে সবার সঙ্গেই পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে।

ফলে আলোচনা শেষ করার নির্দিষ্ট সময় এখনই বেঁধে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদের’ সংগৃহীত বিষয়গুলো এবং যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, সেগুলো বিবেচনা করা হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দলের নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধান সংস্কারের পথেই এগোচ্ছে কমিটি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার, যা সার্বিক জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা সংবিধানে ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক প্রাক্কালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই দিন-তারিখ ও তালিকা নির্ধারণ করা হবে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা থাকলেও, তা এখনো না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারা সেটি অনুধাবন করে নাম পাঠাবেন। বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠকে এসে কথা বললে যেমন স্বাগতম জানানো হবে, তেমনি বৈঠকের বাইরে লিখিতভাবে দেওয়া তাদের পরামর্শও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

সংবিধান সংশোধনের পথে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিকে কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে প্রত্যাশা হিসেবে দেখছেন তারা। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, শহীদের রক্ত এবং জাতির বিশাল আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কাজ করছে এ কমিটি। এই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধারণ করতে হলে সংবিধান সংস্কারই প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, কেবল রাজনীতিবিদেরাই নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো আগ্রহ প্রকাশ করলে সবার সঙ্গেই পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে।

ফলে আলোচনা শেষ করার নির্দিষ্ট সময় এখনই বেঁধে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদের’ সংগৃহীত বিষয়গুলো এবং যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, সেগুলো বিবেচনা করা হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দলের নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধান সংস্কারের পথেই এগোচ্ছে কমিটি।