Dhaka ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
অজ্ঞাত নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা-মাকে হুমকি, থানায় জিডি পুলিশ সেজে ট্রেনে যাত্রীকে জরিমানা, টাকা না পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা ভারতজুড়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ককরোচ পার্টির পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা পারমিটের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে আরোপ হতে পারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, বাবা এখনও নিখোঁজ ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ আমিরুলের জোড়া গোলে টানা দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের রাজশাহী মেডিকেলে ডেঙ্গুতে ৯ মাসে ভর্তি ৯০১, মৃত্যু ১৩ পুলিশের কেউ ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত হলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতজুড়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ককরোচ পার্টির

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19

 

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আজ শনিবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে পদত্যাগ না করলে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হবে— এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় কথিত পরিবর্তন নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই এই ঘোষণা এলো। খবর সামা টিভির

সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে বিক্ষোভ শুরু হবে। পরে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। রয়টার্স জানিয়েছে, কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সিজেপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিল। দলটির দাবি, ওই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে।

দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে আন্দোলন শুরু করে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সিজেপি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকায় করা পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)–কে সুবিধা দিতে পারে। তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি।

এদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একাধিক সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কমিশন আরও বলেছে, তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো আইনসম্মত।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনের পর বিরোধ আরও তীব্র হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দলও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ করে ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল—উভয়েই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতজুড়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ককরোচ পার্টির

প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আজ শনিবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে পদত্যাগ না করলে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হবে— এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় কথিত পরিবর্তন নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই এই ঘোষণা এলো। খবর সামা টিভির

সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে বিক্ষোভ শুরু হবে। পরে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। রয়টার্স জানিয়েছে, কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সিজেপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিল। দলটির দাবি, ওই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে।

দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে আন্দোলন শুরু করে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সিজেপি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকায় করা পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)–কে সুবিধা দিতে পারে। তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি।

এদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একাধিক সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কমিশন আরও বলেছে, তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো আইনসম্মত।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনের পর বিরোধ আরও তীব্র হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দলও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ করে ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল—উভয়েই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।