Dhaka ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে : গয়েশ্বর একনেকে ১৫,৮২৩ কোটি টাকায় ১৩ প্রকল্প অনুমোদন অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনিবন্ধিত অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে চিনি উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বন্ধুর নাম, পরিচিত মুখ—প্রতারণার নতুন ফাঁদ টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন-টাকা আদায়, গ্রেফতার ২

১২ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • / 70

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১২ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আদালতের নির্দেশে সংগ্রহ করা এ নমুনা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষা করা হবে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই মামলার চার্জশিট দাখিলসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি সেফহোমে থাকা নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল। এর আগে গত ১৭ মে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সিআইডির পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

সিলেট সমাজসেবা অধিদপ্তর ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই প্রসববেদনা উঠলে শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন দিবাগত রাতে সে স্বাভাবিকভাবে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মা ও নবজাতককে আবার সেফহোমে নেওয়া হয়।

সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গাইনি বিভাগের তত্ত্বাবধানে শিশুটির প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। তবে ১২ বছর বয়সে সন্তান প্রসব অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনই চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। নবজাতকের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হওয়ায় জন্ডিস, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক একাধিকবার ধর্ষণ করায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। আসামিকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১২ মে ভুক্তভোগী শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফহোমে পাঠানো হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

১২ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১২ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আদালতের নির্দেশে সংগ্রহ করা এ নমুনা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষা করা হবে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই মামলার চার্জশিট দাখিলসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি সেফহোমে থাকা নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল। এর আগে গত ১৭ মে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সিআইডির পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

সিলেট সমাজসেবা অধিদপ্তর ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই প্রসববেদনা উঠলে শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন দিবাগত রাতে সে স্বাভাবিকভাবে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মা ও নবজাতককে আবার সেফহোমে নেওয়া হয়।

সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গাইনি বিভাগের তত্ত্বাবধানে শিশুটির প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। তবে ১২ বছর বয়সে সন্তান প্রসব অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনই চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। নবজাতকের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হওয়ায় জন্ডিস, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক একাধিকবার ধর্ষণ করায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। আসামিকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১২ মে ভুক্তভোগী শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফহোমে পাঠানো হয়।