Dhaka ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনিবন্ধিত অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে চিনি উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বন্ধুর নাম, পরিচিত মুখ—প্রতারণার নতুন ফাঁদ টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন-টাকা আদায়, গ্রেফতার ২ ভারতে কারাভোগের পর বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ২ তরুণী প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই: দীনেশ ত্রিবেদী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন-টাকা আদায়, গ্রেফতার ২

খোরশেদ আলম, নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11

 

নওগাঁ সদর থানাধীন কীর্তিপুর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নের কাদিমপুর গ্রাম থেকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— নওগাঁর বদলগাছী থানার বাসিন্দা মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু (৩২) এবং মোঃ শামীম হোসেন (৩১)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা কাদিমপুর গ্রামে গিয়ে নিজেদের ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) পুলিশ হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তাদের কাছে থাকা একটি সোনালী রঙের মেডেল বা পদককে হ্যান্ডকাফ (হ্যান্ডকাফের সাদৃশ্য) হিসেবে দেখিয়ে স্থানীয় লোকজনকে গ্রেফতারের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং টাকা দাবি করেন। তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয় জনতা তাদের আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেয়। খবর পেয়ে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় কাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা জলিল সরদার বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেফতারকৃত এই চক্রটি গত এক মাস ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরাও তাদের এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

নওগাঁ সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভুয়া পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন-টাকা আদায়, গ্রেফতার ২

প্রকাশের সময় : ০১:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নওগাঁ সদর থানাধীন কীর্তিপুর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নের কাদিমপুর গ্রাম থেকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— নওগাঁর বদলগাছী থানার বাসিন্দা মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু (৩২) এবং মোঃ শামীম হোসেন (৩১)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা কাদিমপুর গ্রামে গিয়ে নিজেদের ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) পুলিশ হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তাদের কাছে থাকা একটি সোনালী রঙের মেডেল বা পদককে হ্যান্ডকাফ (হ্যান্ডকাফের সাদৃশ্য) হিসেবে দেখিয়ে স্থানীয় লোকজনকে গ্রেফতারের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং টাকা দাবি করেন। তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয় জনতা তাদের আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেয়। খবর পেয়ে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় কাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা জলিল সরদার বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেফতারকৃত এই চক্রটি গত এক মাস ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরাও তাদের এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

নওগাঁ সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভুয়া পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।