Dhaka ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে বইয়ের বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী চীনের কাছে হেরে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতিই জাতির অগ্রগতির চাবিকাঠি : আইনমন্ত্রী টেকসই কর্মসংস্থান ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ গঠনে সরকার বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন সকল সম্প্রদায়ের সমস্যা-প্রয়োজনকে বিবেচনায় রেখেই সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে : অর্থমন্ত্রী পরাজিত শক্তির চক্রান্তে ফাঁদে পা না দিতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান রিজভীর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, পুরনো সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে সিফাত পাংশায় বসতবাড়ির রান্নাঘরের আগুনে পুড়ল ৫ দোকান, ক্ষয়ক্ষতি কোটি টাকা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারো মাঠে নামবেন মেসি!
আপিল বিভাগ

৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 50

দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় শূন্য থাকা দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

পরে তিনি বলেন, সরকার ২০১৩ সালে ২৬,০০০ বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলকে অধিগ্রহণ করে। তখন সরকার একটি আইন প্রণয়ন করল। সে আইনে বলা হলো অধিগ্রহণ স্কুলের সবাই যোগদান করতে পারবেন। প্রধান শিক্ষকসহ তারা যোগদান করবে সহকারী শিক্ষক হিসেবে। তার মানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে তারা পূর্বে দায়িত্ব পালন করলেও আইন অনুযায়ী তারা সবাই যোগদান করলেন সহকারী শিক্ষক হিসেবে। তখন তারা সেটা মেনে নিলেন। কিন্তু ওই আইনের মধ্যে একটা বিধান যেটাতে বলা হলো যারা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত হবে, তাদের সিরিয়ালটা হবে উপরে।

‘আর যারা অধিগ্রহণ করা বেসরকারি স্কুল থেকে যারা এসেছেন তাদের সিরিয়ালটা হবে তাদের নিচে এবং তাদের আগের সময়কালের তারা যে চাকরি করেছে, চাকরির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে পেনশন ৫০ শতাংশ কাউন্ট করা হবে, পেনশনের ক্ষেত্রে, গ্র্যাচুইটির ক্ষেত্রে। তো তারা বলল যে, না। আমরা আগে প্রধান শিক্ষক ছিলাম। ​আমরা এখন প্রধান শিক্ষক হব। আমরা এতদিনকার সিনিয়রিটি, আমরা ৫০ শতাংশ কেন কাউন্ট হবে? এবং তারা বললেন ৫০ শতাংশ কাউন্ট হলেও আমাদের প্রমোশনের ক্ষেত্রেও এগুলো হবে। তারা হাইকোর্টে রিট করলেন। সবগুলো মিলিয়ে হাইকোর্টে রায় দিলেন যে, তাদেরকে যে এই পেছনে দেওয়া হলো, এটা আইনটা বাতিল করে দিলেন। এই আইন বাতিলের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলেন। আজ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছেন। এর ফলে প্রায় ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে,’ বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

২৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার হওয়া প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তো অবসরে গেছে। ওগুলোতে নিয়োগ হয় নাই। এই ২৬,০০০ এর সঙ্গে বাড়তে বাড়তে ২০১৩ সাল থেকে আজকে পর্যন্ত আরও ৬,০০০ বেড়ে আজকে প্রায় ৩২,০০০ হয়েছে। এগুলো সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আপিল বিভাগ

৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

প্রকাশের সময় : ১২:১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় শূন্য থাকা দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

পরে তিনি বলেন, সরকার ২০১৩ সালে ২৬,০০০ বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলকে অধিগ্রহণ করে। তখন সরকার একটি আইন প্রণয়ন করল। সে আইনে বলা হলো অধিগ্রহণ স্কুলের সবাই যোগদান করতে পারবেন। প্রধান শিক্ষকসহ তারা যোগদান করবে সহকারী শিক্ষক হিসেবে। তার মানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে তারা পূর্বে দায়িত্ব পালন করলেও আইন অনুযায়ী তারা সবাই যোগদান করলেন সহকারী শিক্ষক হিসেবে। তখন তারা সেটা মেনে নিলেন। কিন্তু ওই আইনের মধ্যে একটা বিধান যেটাতে বলা হলো যারা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত হবে, তাদের সিরিয়ালটা হবে উপরে।

‘আর যারা অধিগ্রহণ করা বেসরকারি স্কুল থেকে যারা এসেছেন তাদের সিরিয়ালটা হবে তাদের নিচে এবং তাদের আগের সময়কালের তারা যে চাকরি করেছে, চাকরির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে পেনশন ৫০ শতাংশ কাউন্ট করা হবে, পেনশনের ক্ষেত্রে, গ্র্যাচুইটির ক্ষেত্রে। তো তারা বলল যে, না। আমরা আগে প্রধান শিক্ষক ছিলাম। ​আমরা এখন প্রধান শিক্ষক হব। আমরা এতদিনকার সিনিয়রিটি, আমরা ৫০ শতাংশ কেন কাউন্ট হবে? এবং তারা বললেন ৫০ শতাংশ কাউন্ট হলেও আমাদের প্রমোশনের ক্ষেত্রেও এগুলো হবে। তারা হাইকোর্টে রিট করলেন। সবগুলো মিলিয়ে হাইকোর্টে রায় দিলেন যে, তাদেরকে যে এই পেছনে দেওয়া হলো, এটা আইনটা বাতিল করে দিলেন। এই আইন বাতিলের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলেন। আজ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছেন। এর ফলে প্রায় ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে,’ বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

২৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার হওয়া প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তো অবসরে গেছে। ওগুলোতে নিয়োগ হয় নাই। এই ২৬,০০০ এর সঙ্গে বাড়তে বাড়তে ২০১৩ সাল থেকে আজকে পর্যন্ত আরও ৬,০০০ বেড়ে আজকে প্রায় ৩২,০০০ হয়েছে। এগুলো সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।