দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় : ০২:০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
- / 14
মালয়েশিয়া ও চীন সরকারের আমন্ত্রণে প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শেষ করে দেশে ফিরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
এদিকে বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে বেইজিংয়ের দিয়াওতাই হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়বস্তু জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ কথা জানান।
তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন পাশে থাকবে। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট শি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের যাত্রায় চীন একটি ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রেসিডেন্ট বলেছেন—চীন ও বাংলাদেশের এই বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্ব সাময়িক নয়, বরং তার নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে এটি হবে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার। প্রেসিডেন্ট শি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর আমাদের দেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা ও পাশে থাকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক রূপান্তর, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে চীন সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের উন্নয়ন-ভাবনার প্রশংসা এবং তার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
হুমায়ুন কবির জানান, ব্রিকসে (বিআরআইসিএস) যোগদান এবং সাংহাই কো-অপারেশন অরগানাইজেশনের (এসসিও) অংশীদার হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে চীন।
একইসঙ্গে আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (আরসিইপি) নিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং, যা বাংলাদেশের জন্য বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।



















