Dhaka ১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ পাকিস্তান রাখাইনে মিয়ানমারের বিমান বাহিনীর অভিযানে ৪৯ জন নিহত রূপপুরের জ্বালানি পরিবহনে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারে অস্বীকৃতি ‘কারিগরি বিষয়’ জাতিসংঘে বাংলাদেশের মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ, অভিনন্দন মন্ত্রিসভার পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে জাবিতে ছাত্রশক্তির লাল কার্ড পত্নীতলায় ২৫ বোতল আরসি কাফসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার কাতারের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, চাপে ভারত-পাকিস্তান-ইতালি-বাংলাদেশ অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা জাবির ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের নতুন সভাপতি মুনতাকিমুল বারী ন্যাম ভবনে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীকে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো: পুলিশ

বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 64

 

বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

শনিবার ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ আহ্বান জানান।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ১০ টায় সুপ্রিম কোর্টে ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সকল সদস্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অভিভাষণ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা তাঁদের বক্তব্যে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি, জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

প্রধান বিচারপতি তার অভিভাষণে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সেই সাথে প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারিক কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পাশাপাশি তিনি তার বক্তব্যে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

প্রকাশের সময় : ১০:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

 

বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

শনিবার ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ আহ্বান জানান।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ১০ টায় সুপ্রিম কোর্টে ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সকল সদস্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অভিভাষণ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা তাঁদের বক্তব্যে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি, জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

প্রধান বিচারপতি তার অভিভাষণে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সেই সাথে প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারিক কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পাশাপাশি তিনি তার বক্তব্যে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।