Dhaka ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘চ্যালেঞ্জ থাকলেও একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি’ বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা, আদ-দ্বীনে বোম ডিসপোজাল ইউনিটের তদন্ত কাউন্টারে নয়, মাঝপথের যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে কর্মরত রুশ নাগরিকের রহস্যজনক মৃত্যু জাতীয় ঈদগাহে ৬ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া ইসলাম পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আকাশ বাসে ধাক্কা, নিহত ৪ একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি : সড়কমন্ত্রী পুলিশের নজরদারিতে আদ-দ্বীন হাসপাতালের কর্মকর্তারা আদ–দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
  • / 5

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারা সবাই পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছিল।

বুধবার (২৭ মে) হাসপাতালটির মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে কী কারণে এই ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনোকিছু নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, হাসপাতালে উপস্থিত মারা যাওয়া শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।

যদিও স্বজনদের অভিযোগ ও মৃত্যুর কারণ প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু স্পষ্ট করেনি। পরে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরতে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সেই ব্রিফিংয়ে অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে এই ঘটনাটা ঘটেছে সেই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক শিশু ছিল ৬ জন। ওটা আমাদের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ড। এখানে ডেলিভারির পর সবসময় মা-বাচ্চা ও সঙ্গে আরেকজন থাকে।

তিনি বলেন, (মারা যাওয়া) ওই বাচ্চারাও মায়ের পাশেই ছিল। যেহেতু এটি এসি ওয়ার্ড, রাতে হাঠাৎ করে মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের ডেকে বলেছিল ঠান্ডা লাগছে, এসি বন্ধ করার জন্য। এরপর রাত ৩টার দিকে দুটি বাচ্চা হঠাৎ অসুস্থ হলে তাদের এনআইসিইউতে (নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকরা দেখছিলেন বাচ্চারা ভালো আছে। তখন তাদের আবার ওয়ার্ডে নিতে বলেছিলেন।

ডা. নাহিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন—বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

এসময় সাংবাদিকরা ডা. নাহিদার কাছে জানতে চান—একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন? তবে তিনি এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০২:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারা সবাই পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছিল।

বুধবার (২৭ মে) হাসপাতালটির মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে কী কারণে এই ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনোকিছু নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, হাসপাতালে উপস্থিত মারা যাওয়া শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।

যদিও স্বজনদের অভিযোগ ও মৃত্যুর কারণ প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু স্পষ্ট করেনি। পরে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরতে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সেই ব্রিফিংয়ে অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে এই ঘটনাটা ঘটেছে সেই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক শিশু ছিল ৬ জন। ওটা আমাদের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ড। এখানে ডেলিভারির পর সবসময় মা-বাচ্চা ও সঙ্গে আরেকজন থাকে।

তিনি বলেন, (মারা যাওয়া) ওই বাচ্চারাও মায়ের পাশেই ছিল। যেহেতু এটি এসি ওয়ার্ড, রাতে হাঠাৎ করে মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের ডেকে বলেছিল ঠান্ডা লাগছে, এসি বন্ধ করার জন্য। এরপর রাত ৩টার দিকে দুটি বাচ্চা হঠাৎ অসুস্থ হলে তাদের এনআইসিইউতে (নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকরা দেখছিলেন বাচ্চারা ভালো আছে। তখন তাদের আবার ওয়ার্ডে নিতে বলেছিলেন।

ডা. নাহিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন—বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

এসময় সাংবাদিকরা ডা. নাহিদার কাছে জানতে চান—একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন? তবে তিনি এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।