Dhaka ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেও অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে পারেনি পুলিশ এবার নেইমারকে নিয়ে ‘রাগ করলা’ রসিকতায় ফিফা রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করলো বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ, লাঠিচার্জ-ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ কোটচাঁদপুর পৌরসভায় তীব্র পানি সংকট, ইউএনওর হস্তক্ষেপ দাবি আসাদুজ্জামান নূরের জামিন স্থগিত আগামী শনিবার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞ নয়্যারকে ফিরিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা জার্মানির ধামইরহাটে শিশু শিক্ষার্থী বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ, লাঠিচার্জ-ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 12

 

সারাদেশ যখন শিশু রামিসা শোকে স্তব্ধ, তখনই ঘটেছে আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। এবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিন বছরের এক শিশু কন্যা। বৃহস্পতিবার নগরীর বাকলিয়া থানা এলাকার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে উঠেছে স্থানীয় জনতা।

অভিযুক্ত ধর্ষককে পুলিশের কাছ থেকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে ঘিরে রাখে পুলিশকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার বিসমিল্লাহ ম্যানশন ভবনের সিঁড়িঘরে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করতে ঘটনাস্থলে যায় বাকলিয়া থানা পুলিশ। অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এসময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে এবং অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়।

এ খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকে। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান বলেন, ঘটনা জানার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করেছি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাইছে। আমরা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করছি। শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ, লাঠিচার্জ-ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

 

সারাদেশ যখন শিশু রামিসা শোকে স্তব্ধ, তখনই ঘটেছে আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। এবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিন বছরের এক শিশু কন্যা। বৃহস্পতিবার নগরীর বাকলিয়া থানা এলাকার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে উঠেছে স্থানীয় জনতা।

অভিযুক্ত ধর্ষককে পুলিশের কাছ থেকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে ঘিরে রাখে পুলিশকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার বিসমিল্লাহ ম্যানশন ভবনের সিঁড়িঘরে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করতে ঘটনাস্থলে যায় বাকলিয়া থানা পুলিশ। অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এসময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে এবং অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়।

এ খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকে। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান বলেন, ঘটনা জানার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করেছি। তবে স্থানীয় কিছু মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাইছে। আমরা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করছি। শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।