Dhaka ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মুন্সীগঞ্জে দাদা-দাদির কবরের পাশে শিশু রামিসার দাফন সম্পন্ন কালুখালীতে বাড়ি ফেরার পথে বাসচাপায় গরুর বেপারীর মৃত্যু, আহত ২ দেশে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২ বছরের মধ্যেই ঢাকার চেহারা বদলে দেয়ার ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের স্নাতক ডিগ্রি ছাড়া মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়া যাবে না, প্রজ্ঞাপন জারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা সেবা : দুই ক্লিনিককে জরিমানা কী ঘটেছিল ছোট্ট রামিসার সাথে, জবানবন্দিতে যা জানাল ঘাতক সোহেল

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় আরো ৪ জনের সাক্ষ্য

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 15

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরো চারজন।

তারা হলেন সহকারী কর কমিশনার আবু হেনা মো. জাকির, গোপালগঞ্জ সদরের সাব রেজিস্ট্রার আকরাম হোসেন রিয়াদ, কর সার্কেল-১৩ এর সাবেক প্রধান সহকারী সোহেল মিয়া ও সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সজীবুর রহমান।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন। এ মামলায় পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাবে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদক-এর তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদক-এর হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন। বাসস

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় আরো ৪ জনের সাক্ষ্য

প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরো চারজন।

তারা হলেন সহকারী কর কমিশনার আবু হেনা মো. জাকির, গোপালগঞ্জ সদরের সাব রেজিস্ট্রার আকরাম হোসেন রিয়াদ, কর সার্কেল-১৩ এর সাবেক প্রধান সহকারী সোহেল মিয়া ও সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সজীবুর রহমান।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন। এ মামলায় পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাবে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদক-এর তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদক-এর হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন। বাসস