Dhaka ০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শি-ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 20

শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং–এর বৈঠক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শুরুতেই শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে ট্রাম্পের উষ্ণ মন্তব্য আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমমর্যাদার শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ‘যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ কৌশল পুনর্গঠন কর্মসূচি’-এর গবেষক কেলি গ্রিয়েকো ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য দুই দেশের আলোচনাকে সমতার জায়গায় নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ ও অন্যান্য পণ্য কেনার বিষয়ে চুক্তি করে। দেশে ফিরে তিনি একটি ‘ভালো সমঝোতা’ করার বার্তা দিতে চান।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, গত এক বছরে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের শুল্কনীতি খুব বেশি সফল হয়নি। ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দর-কষাকষির অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে বেইজিং বিরল খনিজ ইস্যুতে নিজেদের শক্ত অবস্থান দেখিয়েছে। বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও অর্ধপরিবাহী যন্ত্র তৈরিতে এসব ধাতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আরেকটি বড় লক্ষ্য হচ্ছে চীনকে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগে রাজি করানো, যাতে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কেলি গ্রিয়েকোর ধারণা, চীন এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করলে বিনিময়ে কিছু প্রত্যাশা করবেই।

এছাড়া ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুতেও দুই নেতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শি-ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

প্রকাশের সময় : ০১:৩০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং–এর বৈঠক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শুরুতেই শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে ট্রাম্পের উষ্ণ মন্তব্য আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমমর্যাদার শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ‘যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ কৌশল পুনর্গঠন কর্মসূচি’-এর গবেষক কেলি গ্রিয়েকো ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য দুই দেশের আলোচনাকে সমতার জায়গায় নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ ও অন্যান্য পণ্য কেনার বিষয়ে চুক্তি করে। দেশে ফিরে তিনি একটি ‘ভালো সমঝোতা’ করার বার্তা দিতে চান।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, গত এক বছরে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের শুল্কনীতি খুব বেশি সফল হয়নি। ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দর-কষাকষির অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে বেইজিং বিরল খনিজ ইস্যুতে নিজেদের শক্ত অবস্থান দেখিয়েছে। বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও অর্ধপরিবাহী যন্ত্র তৈরিতে এসব ধাতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আরেকটি বড় লক্ষ্য হচ্ছে চীনকে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগে রাজি করানো, যাতে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কেলি গ্রিয়েকোর ধারণা, চীন এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করলে বিনিময়ে কিছু প্রত্যাশা করবেই।

এছাড়া ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুতেও দুই নেতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি