Dhaka ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের নতুন আদেশ : ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 123

কয়েক মাসের মধ্যে ওষুধ কোম্পানিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে কিছু পেটেন্টকৃত ওষুধের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

যেসব কোম্পানি মোস্ট ফেভার্ড নেশন মূল্য নির্ধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছে, তাদের জন্য শুল্ক শূন্য শতাংশ থাকবে। যেসব কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ চুক্তি নেই কিন্তু তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রকল্প তৈরি করছে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা চার বছরের মধ্যে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল ও উপাদান আমদানির কারণে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য শুল্ক আরোপ প্রয়োজনীয়।

ফার্মাসিউটিক্যাল ট্রেড গ্রুপ ফার্মা-এর সিইও স্টেফিন জে বলেছেন, উন্নতমানের ওষুধের ওপর কর বাড়ালে খরচ বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ট্রাম্পের নতুন আদেশ : ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি

প্রকাশের সময় : ০২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কয়েক মাসের মধ্যে ওষুধ কোম্পানিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে কিছু পেটেন্টকৃত ওষুধের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

যেসব কোম্পানি মোস্ট ফেভার্ড নেশন মূল্য নির্ধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছে, তাদের জন্য শুল্ক শূন্য শতাংশ থাকবে। যেসব কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ চুক্তি নেই কিন্তু তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রকল্প তৈরি করছে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা চার বছরের মধ্যে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল ও উপাদান আমদানির কারণে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য শুল্ক আরোপ প্রয়োজনীয়।

ফার্মাসিউটিক্যাল ট্রেড গ্রুপ ফার্মা-এর সিইও স্টেফিন জে বলেছেন, উন্নতমানের ওষুধের ওপর কর বাড়ালে খরচ বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।