কালুখালীতে জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে গাছ কাটার অভিযোগ
- প্রকাশের সময় : ০৩:৪৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
- / 126
রাজবাড়ীর কালুখালীতে জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে একপক্ষের গাছপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের আড়কান্দি গ্রামের প্রয়াত রুস্তম আলীর ছেলের সঙ্গে একই গ্রামের প্রয়াত খোরশেদ আলীর ছেলেদের বিরোধ চলছে। দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে চলছে বিরোধ। এ নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। মামলা চলমান থাকলেও জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে খোরশেদ আলীর ছেলেরা।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জোরপূর্বক জমি দখলে নিতে গিয়ে বাগানের ২৩টি মেহগনি গাছ ও ২০টি বাঁশ কেটে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিষয়টি নিয়ে গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আদালতে মামলা করেছেন রুস্তম আলীর ছেলে মো. সোহরাব হোসেন।
আসামিরা হলেন, মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে মো. টিপু সুলতান (৫০), মো. হেলাল উদ্দিন (৪৩), মো. জালাল মোল্লা (৫০), মৃত মোনসের আলী মোল্লার ছেলে মো. সাহেব আলী মোল্লা (৬০), জালাল মোল্লার ছেলে জাহিদ মোল্লা (২৩), মৃত মতিয়ার হোসেনের ছেলে মো. হিরু মোল্লা (৪৫), মো. ফিরোজ হায়দার (৪০), মো. সুরুজ হোসেন (৩৮), খোরশেদ শেখের ছেলে মিঠু শেখ (৫৫), টুকু শেখ (৪৫), সাহেব আলী মোল্লার ছেলে মো. মনোয়ার হোসেন (৪০)। তারা সবাই মৃগী ইউনিয়নের আড়কান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদীর নিকটতম আত্মীয়।
মো. সোহরাব হোসেন বলেন, আড়কান্দি মৌজার আর.এস ৪৭ নম্বর খতিয়ানে ৩৮১ ও ৩৬৮, বি.এস ১২৪ নম্বর খতিয়ানে ৪৩০ ও ৪৩৫ নম্বর দাগে পূর্বপুরুষ থেকে ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আসামিদের সঙ্গে এওয়াজ সূত্রে ভোগদখল করে আসছি। এই সকল জমিতে বাগান, পুকুর ও পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। সম্প্রতি আসামিরা আমার বাগানের বড় বড় গাছ দেখে এওয়াজ ভঙ্গ করে আমার গাছ কাটার পাঁয়তারা করলে আমি দেওয়ানি মামলা করি। এমতাবস্থায় গত ৫ মার্চ দুপুরে আমার অনুপস্থিতিতে আসামিরা আমার বাগান থেকে ২৩টি মেহগনি গাছ ও ২০টি বাঁশ কেটে নেয়। এখন তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালে দায়ের করা দেওয়ানি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মৃগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা ৬ মাস আগে নালিশি জমিতে মেহগনি গাছ রোপণ করেছে। তবে আগে থেকেই ওই জমিতে বাদী ফলের ও কাঠের গাছ রোপণ করে রেখেছে।





















