Dhaka ০২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নওগাঁ সীমান্তে ১৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার বাড়িভাড়া আকাশছোঁয়া, বিক্ষোভে উত্তাল স্পেনের রাজপথ দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অবকাঠামো সংস্কারে অংশ নিতে চায় বিশ্বব্যাংক ফেনীতে অভিযান চলাকালে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি সদস্য নিহত নোয়াখালীতে বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে যুবকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলা, নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 190

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলের কোনো পর্যায়ে ভুল-ভ্রান্তি বা মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। কোনো প্রার্থী ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেছেন বলে প্রমাণিত হলে তার নির্বাচন বাতিল করা হবে।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্যগত কারণে অনুপযুক্ত হলে নিয়োগ বিবেচনায় আনা হবে না।

এছাড়া ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে পরিচিতি যাচাই ও নথিপত্র পরীক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পূরণকৃত পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, স্বাস্থ্য সনদ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার সনদসহ সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে অসন্তোষজনক তথ্য পাওয়া গেলে বা নাশকতা, সন্ত্রাসী কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে প্রার্থীকে অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সনদ জমা দিতে ব্যর্থ হলে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরে ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে তাদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

প্রকাশের সময় : ১১:১৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলের কোনো পর্যায়ে ভুল-ভ্রান্তি বা মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। কোনো প্রার্থী ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেছেন বলে প্রমাণিত হলে তার নির্বাচন বাতিল করা হবে।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্যগত কারণে অনুপযুক্ত হলে নিয়োগ বিবেচনায় আনা হবে না।

এছাড়া ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে পরিচিতি যাচাই ও নথিপত্র পরীক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পূরণকৃত পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, স্বাস্থ্য সনদ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার সনদসহ সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে অসন্তোষজনক তথ্য পাওয়া গেলে বা নাশকতা, সন্ত্রাসী কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে প্রার্থীকে অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সনদ জমা দিতে ব্যর্থ হলে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরে ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে তাদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।