Dhaka ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও সরকারি কর্মচারীদের

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 146

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।

আজ (শুক্রবার) বেলা সোয়া ১১টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দেন সরকারি চাকরিজীবীরা। কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করতে দেখা যায় পুলিশকে।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন থেকে একচুলও সরবেন না তারা।

পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সেখানে হইচই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ছাড়েননি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম পে কমিশন গঠন হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন না করায় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

এর আগে সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন তারা। পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড ও জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, দাবি আদায়ে এর আগে টানা তিন দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার সেই কর্মবিরতি বাড়িয়ে চার ঘণ্টা করা হয়। ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আজ যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও কঠোর করার প্রস্তুতি রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও সরকারি কর্মচারীদের

প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।

আজ (শুক্রবার) বেলা সোয়া ১১টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দেন সরকারি চাকরিজীবীরা। কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করতে দেখা যায় পুলিশকে।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন থেকে একচুলও সরবেন না তারা।

পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সেখানে হইচই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ছাড়েননি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম পে কমিশন গঠন হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন না করায় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

এর আগে সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন তারা। পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড ও জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, দাবি আদায়ে এর আগে টানা তিন দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার সেই কর্মবিরতি বাড়িয়ে চার ঘণ্টা করা হয়। ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আজ যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও কঠোর করার প্রস্তুতি রয়েছে।