Dhaka ১০:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

এনা পরিবহনের এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে ১০৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 94

ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এনা ট্রান্সপোর্টের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে ১০৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মাম লা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য পাওয়ার পর মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর রমনা থানায় এই মামলা দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। বুধবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সিআইডি জানায়, পরিবহন সেক্টরে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে এনায়েত উল্লাহ সংগঠিতভাবে চাঁদা আদায় করতেন। নতুন বাস কোনো রুটে নামাতে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হতো এবং দৈনিক ও মাসিকভাবে চাঁদা আদায় করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, বাস মালিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি করে বাসের ভাগ নিতেও বাধ্য করা হতো। রাজধানীর সব বাস টার্মিনাল এবং দেশের পরিবহন মালিক সমিতিগুলো তার নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ১৯৯টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭ কোটি টাকা। আদালতের আদেশে ধানমন্ডির দুটি ফ্ল্যাট ও রূপগঞ্জের দুটি প্লট ক্রোক করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। একই আদেশে তাদের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়, যেখানে স্থিতি ছিল প্রায় ১১০ কোটি টাকা।

সিআইডির বিশ্লেষণে জানা যায়, চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ঘুরিয়ে ‘স্ট্রাকচারিং’ পদ্ধতিতে মোট ১০৭ কোটি ৩২ লাখ ৬১ হাজার ৭৪ টাকা মানিলন্ডারিং করা হয়েছে। প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় খন্দকার এনায়েত উল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে সিআইডি জানিয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

এনা পরিবহনের এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে ১০৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

প্রকাশের সময় : ০৪:১৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এনা ট্রান্সপোর্টের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে ১০৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মাম লা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য পাওয়ার পর মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর রমনা থানায় এই মামলা দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। বুধবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সিআইডি জানায়, পরিবহন সেক্টরে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে এনায়েত উল্লাহ সংগঠিতভাবে চাঁদা আদায় করতেন। নতুন বাস কোনো রুটে নামাতে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হতো এবং দৈনিক ও মাসিকভাবে চাঁদা আদায় করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, বাস মালিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি করে বাসের ভাগ নিতেও বাধ্য করা হতো। রাজধানীর সব বাস টার্মিনাল এবং দেশের পরিবহন মালিক সমিতিগুলো তার নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ১৯৯টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭ কোটি টাকা। আদালতের আদেশে ধানমন্ডির দুটি ফ্ল্যাট ও রূপগঞ্জের দুটি প্লট ক্রোক করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। একই আদেশে তাদের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়, যেখানে স্থিতি ছিল প্রায় ১১০ কোটি টাকা।

সিআইডির বিশ্লেষণে জানা যায়, চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ঘুরিয়ে ‘স্ট্রাকচারিং’ পদ্ধতিতে মোট ১০৭ কোটি ৩২ লাখ ৬১ হাজার ৭৪ টাকা মানিলন্ডারিং করা হয়েছে। প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় খন্দকার এনায়েত উল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে সিআইডি জানিয়েছে।