Dhaka ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি শিশুকে টিকা দিতে হবে : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 84

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, দেশের প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডসহ সকল প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা দিতে হবে। তিনি বলেন, একটি শিশুও বাদ পড়া চলবে না এবং সবাইকে টিকার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টাইফয়েড এমন একটি রোগ যা অল্প বয়সী শিশুদের জীবন বিপন্ন করতে পারে, তবে এটি পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। তাই পরিবারগুলোকে এর গুরুত্ব বোঝাতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা জোরদার করতে হবে। স্কুল, মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারসহ সব জায়গায় বার্তা পৌঁছানোর আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সহজ, বিনামূল্যে ও গ্রহণযোগ্য রাখতে হবে। প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ানো উচিত নয়। কাজের মানুষ ও বস্তির শিশুরাও এই টিকার আওতায় আসা উচিত।

সভায় স্বাস্থ্যের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি দেশে সবচেয়ে সফল এবং অচিরেই টাইফয়েড টিকাদানও নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. সাইদুর রহমান। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি শিশুকে টিকা দিতে হবে : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, দেশের প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডসহ সকল প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা দিতে হবে। তিনি বলেন, একটি শিশুও বাদ পড়া চলবে না এবং সবাইকে টিকার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টাইফয়েড এমন একটি রোগ যা অল্প বয়সী শিশুদের জীবন বিপন্ন করতে পারে, তবে এটি পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। তাই পরিবারগুলোকে এর গুরুত্ব বোঝাতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা জোরদার করতে হবে। স্কুল, মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারসহ সব জায়গায় বার্তা পৌঁছানোর আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সহজ, বিনামূল্যে ও গ্রহণযোগ্য রাখতে হবে। প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ানো উচিত নয়। কাজের মানুষ ও বস্তির শিশুরাও এই টিকার আওতায় আসা উচিত।

সভায় স্বাস্থ্যের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি দেশে সবচেয়ে সফল এবং অচিরেই টাইফয়েড টিকাদানও নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. সাইদুর রহমান। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।