গৌতম কি ক্যান্সারের কাছে হেরে যাবে?

- প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 240
শহরের চেনাজানা এমন কেউ নেই যারা গৌতমকে হাসতে দেখেননি। প্রাণোচ্ছ¡ল এক যুবক গৌতম দাস। যে সব সময় হাসতেই পছন্দ করত। হাসিমুখে কথা বলতো সবার সাথে। স্বভাবসুলভ আচরণে মানুষকে আপন করে নিতে পারত। বাবা-মা, স্ত্রী, মেয়ে আর ভাইকে নিয়ে তার ছিল সোনার সংসার।
গৌতমের মুখ থেকে হাসি মুছে যেতে শুরু করেছে। ক্যান্সার নামক দানব অসুখটির সাথে এক বছর ধরে লড়াই করে চলেছে। একটু সুস্থ হলেই যেন মনোবল ফিরে পায়। তখন তার মুখে হাসি ফোটে। সে হাসি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না। আবারও ফিরে যেতে হয় অসুস্থতার দিকে। এভাবেই চলছে এক বছর। গৌতম নিজের জন্য বাঁচতে চান না। তার একটি ফুটফুটে মেয়ে আছে। বয়স তিন অথবা চার হবে। মেয়েটিকে বড্ড ভালোবাসে গৌতম। গৌতম পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে মেয়েটির কী হবে? এটাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে গৌতমকে।
রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দা গ্রামের রাধাকান্ত দাশ ও শিখা রানী দাশ দম্পতির ছেলে গৌতম দাস। পেশায় ছিলেন উন্নয়নকর্মী। ভালো ক্রিকেট খেলতেন। এ শহরের সামাজিক উন্নয়নেও তার অবদান আছে। যখন সুস্থ ছিলেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। আজ বাঁচার জন্য তার পরিবার গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আহŸান জানাচ্ছে মানুষকে।
গৌতমের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত এক বছরে গৌতমকে সুস্থ করে তোলার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। গৌতমের স্ত্রীর স্বর্ণালংকার, গহনাসহ মূল্যবান যা ছিল সবই বিক্রি করেছেন গৌতমের চিকিৎসার জন্য। গৌতমকে এখনও সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু এজন্য আরও ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এখন এত টাকার সংস্থান করার মত অবস্থায় তারা নেই। এজন্য তারা সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান মানুষের কাছে গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
গৌতমকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ০১৭১৬৬২১০০৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট) এবং সোনালী ব্যাংক, রাজবাড়ী শাখা: হিসাব নং ২২১১১০১০২৫৩৫৯।




















