Dhaka ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শিশুদের জন্য বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ: রেড ক্রস দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে: চরমোনাই পীর দেশজুড়ে আগামী ২ দিন ভারী বর্ষণের আভাস ঝিনাইদহে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরদের প্রশিক্ষণ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের অভিনন্দন ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ বাইকের সেই মেয়েটি সম্পর্কে যেসব তথ্য মিলল কুপিয়ে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন, ১৭ ঘণ্টা পর ছেলে গ্রেপ্তার নতুন দায়িত্ব পেলেন উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন

আজ শুভ বড়দিন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 138

আজ ২৫ ডিসেম্বর, শুভ ‘বড়দিন’। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ দিন খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিনটি সারা পৃথিবীর খ্রিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনে তাঁরা আনন্দে মেতে উঠবেন। বাংলাদেশেও দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালন করা হবে। এ ব্যাপারে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বড়দিনে দেশের তারকা হোটেলগুলোতে থাকছে বর্ণাঢ্য আয়োজন।

এবার আবারও আসবে সান্তা ক্লজ। নামিদামি হোটেলগুলোতে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি, গুডিজ হাউস, কিডস কার্নিভ্যাল। আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ বুফে লাঞ্চ, ডিনারের। বর্ণিল আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বাড়িঘর নানা রঙের আলোয় সাজিয়ে যথাযথ ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হবে দিনটি। গির্জা, বাড়ির দরজা ও বেলকুনি সাজানো হয়েছে গো-সালা, ক্রিসমাস ট্রি আর বর্ণময় বাতি দিয়ে।

খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীদের মতে, পুনর্জন্ম, নতুন শুরু, ক্ষমা ও শান্তি এবং ঈশ্বর ও মানুষের সম্পর্কের নবজীবন দানের উৎসবই হলো বড়দিন। রঙিন বাতিতে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, বিশেষ প্রার্থনা, শিশুদের মাঝে উপহার বিতরণ এবং স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এ উৎসবের মূল অনুষঙ্গ। গির্জায় প্রার্থনা শুরু ও শেষের পর গাওয়া হবে বড়দিনের বিশেষ গান ও বন্দনা সংগীত।

এই দিনেই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট। খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীর বিশ্বাস করেন, বেথেলহেমের এক গোয়াল ঘরে কুমারী মাতা মেরির কোলে জন্ম নেওয়া যিশু সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই এ পৃথিবীতে আগমন ঘটে। তাই তার জন্মের বহু বছর পর থেকে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে আনন্দ ও মুক্তির দিন হিসেবে পালন করতে শুরু করেন।

৪৪০ সালে পোপ এ দিবসকে স্বীকৃতি দিলেও উৎসবটি জনপ্রিয়তা পায় মধ্যযুগে। সে সময় এর নাম দেওয়া হয় ‘ক্রিসমাস ডে’। বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মত বাংলাদেশও ক্রিসমাস দিবস সরকারি ছুটির দিন। এই দিনে সকল খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা গোটা পৃথিবীর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করে যিশুকে স্মরণ করবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আজ শুভ বড়দিন

প্রকাশের সময় : ১২:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ২৫ ডিসেম্বর, শুভ ‘বড়দিন’। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ দিন খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিনটি সারা পৃথিবীর খ্রিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনে তাঁরা আনন্দে মেতে উঠবেন। বাংলাদেশেও দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালন করা হবে। এ ব্যাপারে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বড়দিনে দেশের তারকা হোটেলগুলোতে থাকছে বর্ণাঢ্য আয়োজন।

এবার আবারও আসবে সান্তা ক্লজ। নামিদামি হোটেলগুলোতে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি, গুডিজ হাউস, কিডস কার্নিভ্যাল। আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ বুফে লাঞ্চ, ডিনারের। বর্ণিল আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বাড়িঘর নানা রঙের আলোয় সাজিয়ে যথাযথ ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হবে দিনটি। গির্জা, বাড়ির দরজা ও বেলকুনি সাজানো হয়েছে গো-সালা, ক্রিসমাস ট্রি আর বর্ণময় বাতি দিয়ে।

খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীদের মতে, পুনর্জন্ম, নতুন শুরু, ক্ষমা ও শান্তি এবং ঈশ্বর ও মানুষের সম্পর্কের নবজীবন দানের উৎসবই হলো বড়দিন। রঙিন বাতিতে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, বিশেষ প্রার্থনা, শিশুদের মাঝে উপহার বিতরণ এবং স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এ উৎসবের মূল অনুষঙ্গ। গির্জায় প্রার্থনা শুরু ও শেষের পর গাওয়া হবে বড়দিনের বিশেষ গান ও বন্দনা সংগীত।

এই দিনেই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট। খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীর বিশ্বাস করেন, বেথেলহেমের এক গোয়াল ঘরে কুমারী মাতা মেরির কোলে জন্ম নেওয়া যিশু সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই এ পৃথিবীতে আগমন ঘটে। তাই তার জন্মের বহু বছর পর থেকে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে আনন্দ ও মুক্তির দিন হিসেবে পালন করতে শুরু করেন।

৪৪০ সালে পোপ এ দিবসকে স্বীকৃতি দিলেও উৎসবটি জনপ্রিয়তা পায় মধ্যযুগে। সে সময় এর নাম দেওয়া হয় ‘ক্রিসমাস ডে’। বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মত বাংলাদেশও ক্রিসমাস দিবস সরকারি ছুটির দিন। এই দিনে সকল খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা গোটা পৃথিবীর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করে যিশুকে স্মরণ করবে।