Dhaka ০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নেত্রকোনায় বাসচাপায় স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিহত, হাসপাতালে স্বামী ‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস’—অডিও ভাইরালের পর ওসি প্রত্যাহার নৌপথের ভ্রমণকে ভরসাযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য : নৌ প্রতিমন্ত্রী সৌদিতে এখন পর্যন্ত ৩৭ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু গণসংগীতশিল্পী কামরুদ্দীন আবসারের মৃত্যু ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবীরা অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক কোনো ছাড় নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাথে অপ্রীতিকর ঘটনা: দুঃখপ্রকাশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কংগ্রেসে নতুন বিল: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক শক্তি একীভূতকরণের প্রস্তাব ৭২ ঘণ্টার সমন্বিত অ্যাকশন প্লানে বর্জ্য অপসরণ ডিএনসিসির

তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধুকে মারপিট

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / 333

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধুকে মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৯শে এপ্রিল ২০২১ইং সোমবার দুপুরে ঐ গৃহবধুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধু ঐ এলাকার প্রতাপ হালদারের স্ত্রী সুজাতা রায়।

গৃহবধুর পুত্র বাধন হালদার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বাড়িতে থাকা সিমেন্টের খুঁটি নিতে আসে পাশ্ববর্তী ভাড়াটিয়া পরোশ মালোর দুই ছেলে প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন। এ সময় আমার মা তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা পায় বলে জানায়। টাকা না দিলে খুটি নেওয়া যাবে না বলে আমার মা তাদের জানায়। কিন্তু তারা বলে কিসের টাকা পাও? একথা বলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার মা’কে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। এ সময় আমার মা অজ্ঞান হয়ে যায়। ঐ সময় তারা বাড়ির ভেতর থাকা খুটিগুলো নিয়ে যায় এবং আমি বাঁধা দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে আমি তাদের বাঁধা না দিয়ে ঘরের ভেতর পালিয়ে থাকি। ওরা যাওয়ার পরে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ওরা খুটি নিতে আসলে বাঁধনের মা আকছা (বাঁধা) দেয়। এ সময় বাধনের মাকে দীপ্ত মালো নামে ছেলেটি সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। তখন তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। দীপ্তর মা হার্টের ও প্রেশারের রোগী হওয়ায় গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে আহত গৃহবধুর স্বামী মুঠোফোনে জানান, আমি ব্যবসার সুবাধে ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনেই আমি বাড়িতে রওয়ানা হয়েছি, লকডাউনের কারনে আসতে দেরি হচ্ছে। এসেই থানায় মামলা করবো।

অভিযুক্ত প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোর বাড়িতে জানতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গেলে তাদের বোন বাঁধা দেয় এবং ঘরে দড়জা আটকে দেয়। তবে, বিষয়টি জানতে দীপ্তর মুঠোফোনে ফোন দিলে তার বোন কলটি রিসিভ করে বলে, “সরি ভাই” বলেই লাইন কেটে দেন

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধুকে মারপিট

প্রকাশের সময় : ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধুকে মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৯শে এপ্রিল ২০২১ইং সোমবার দুপুরে ঐ গৃহবধুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধু ঐ এলাকার প্রতাপ হালদারের স্ত্রী সুজাতা রায়।

গৃহবধুর পুত্র বাধন হালদার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বাড়িতে থাকা সিমেন্টের খুঁটি নিতে আসে পাশ্ববর্তী ভাড়াটিয়া পরোশ মালোর দুই ছেলে প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন। এ সময় আমার মা তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা পায় বলে জানায়। টাকা না দিলে খুটি নেওয়া যাবে না বলে আমার মা তাদের জানায়। কিন্তু তারা বলে কিসের টাকা পাও? একথা বলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার মা’কে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। এ সময় আমার মা অজ্ঞান হয়ে যায়। ঐ সময় তারা বাড়ির ভেতর থাকা খুটিগুলো নিয়ে যায় এবং আমি বাঁধা দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে আমি তাদের বাঁধা না দিয়ে ঘরের ভেতর পালিয়ে থাকি। ওরা যাওয়ার পরে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ওরা খুটি নিতে আসলে বাঁধনের মা আকছা (বাঁধা) দেয়। এ সময় বাধনের মাকে দীপ্ত মালো নামে ছেলেটি সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। তখন তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। দীপ্তর মা হার্টের ও প্রেশারের রোগী হওয়ায় গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে আহত গৃহবধুর স্বামী মুঠোফোনে জানান, আমি ব্যবসার সুবাধে ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনেই আমি বাড়িতে রওয়ানা হয়েছি, লকডাউনের কারনে আসতে দেরি হচ্ছে। এসেই থানায় মামলা করবো।

অভিযুক্ত প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোর বাড়িতে জানতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গেলে তাদের বোন বাঁধা দেয় এবং ঘরে দড়জা আটকে দেয়। তবে, বিষয়টি জানতে দীপ্তর মুঠোফোনে ফোন দিলে তার বোন কলটি রিসিভ করে বলে, “সরি ভাই” বলেই লাইন কেটে দেন