Dhaka ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব? নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ পাংশায় ড্রাম ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বৃষ্টি মমতার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দুর উত্থানের গল্প কালুখালীতে ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ জন্মের ১০ মাস পর বাবাকে দেখল শিশু, তাও কফিনবন্দি

তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধুকে মারপিট

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / 330

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধুকে মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৯শে এপ্রিল ২০২১ইং সোমবার দুপুরে ঐ গৃহবধুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধু ঐ এলাকার প্রতাপ হালদারের স্ত্রী সুজাতা রায়।

গৃহবধুর পুত্র বাধন হালদার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বাড়িতে থাকা সিমেন্টের খুঁটি নিতে আসে পাশ্ববর্তী ভাড়াটিয়া পরোশ মালোর দুই ছেলে প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন। এ সময় আমার মা তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা পায় বলে জানায়। টাকা না দিলে খুটি নেওয়া যাবে না বলে আমার মা তাদের জানায়। কিন্তু তারা বলে কিসের টাকা পাও? একথা বলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার মা’কে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। এ সময় আমার মা অজ্ঞান হয়ে যায়। ঐ সময় তারা বাড়ির ভেতর থাকা খুটিগুলো নিয়ে যায় এবং আমি বাঁধা দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে আমি তাদের বাঁধা না দিয়ে ঘরের ভেতর পালিয়ে থাকি। ওরা যাওয়ার পরে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ওরা খুটি নিতে আসলে বাঁধনের মা আকছা (বাঁধা) দেয়। এ সময় বাধনের মাকে দীপ্ত মালো নামে ছেলেটি সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। তখন তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। দীপ্তর মা হার্টের ও প্রেশারের রোগী হওয়ায় গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে আহত গৃহবধুর স্বামী মুঠোফোনে জানান, আমি ব্যবসার সুবাধে ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনেই আমি বাড়িতে রওয়ানা হয়েছি, লকডাউনের কারনে আসতে দেরি হচ্ছে। এসেই থানায় মামলা করবো।

অভিযুক্ত প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোর বাড়িতে জানতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গেলে তাদের বোন বাঁধা দেয় এবং ঘরে দড়জা আটকে দেয়। তবে, বিষয়টি জানতে দীপ্তর মুঠোফোনে ফোন দিলে তার বোন কলটি রিসিভ করে বলে, “সরি ভাই” বলেই লাইন কেটে দেন

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধুকে মারপিট

প্রকাশের সময় : ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

রবিউল হাসান রাজিবঃ ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধুকে মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৯শে এপ্রিল ২০২১ইং সোমবার দুপুরে ঐ গৃহবধুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধু ঐ এলাকার প্রতাপ হালদারের স্ত্রী সুজাতা রায়।

গৃহবধুর পুত্র বাধন হালদার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বাড়িতে থাকা সিমেন্টের খুঁটি নিতে আসে পাশ্ববর্তী ভাড়াটিয়া পরোশ মালোর দুই ছেলে প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন। এ সময় আমার মা তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা পায় বলে জানায়। টাকা না দিলে খুটি নেওয়া যাবে না বলে আমার মা তাদের জানায়। কিন্তু তারা বলে কিসের টাকা পাও? একথা বলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার মা’কে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। এ সময় আমার মা অজ্ঞান হয়ে যায়। ঐ সময় তারা বাড়ির ভেতর থাকা খুটিগুলো নিয়ে যায় এবং আমি বাঁধা দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে আমি তাদের বাঁধা না দিয়ে ঘরের ভেতর পালিয়ে থাকি। ওরা যাওয়ার পরে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ওরা খুটি নিতে আসলে বাঁধনের মা আকছা (বাঁধা) দেয়। এ সময় বাধনের মাকে দীপ্ত মালো নামে ছেলেটি সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গাছের উপর ফেলে দেয়। তখন তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। দীপ্তর মা হার্টের ও প্রেশারের রোগী হওয়ায় গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে আহত গৃহবধুর স্বামী মুঠোফোনে জানান, আমি ব্যবসার সুবাধে ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনেই আমি বাড়িতে রওয়ানা হয়েছি, লকডাউনের কারনে আসতে দেরি হচ্ছে। এসেই থানায় মামলা করবো।

অভিযুক্ত প্রশোন মালো ও দীপ্ত মালোর বাড়িতে জানতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গেলে তাদের বোন বাঁধা দেয় এবং ঘরে দড়জা আটকে দেয়। তবে, বিষয়টি জানতে দীপ্তর মুঠোফোনে ফোন দিলে তার বোন কলটি রিসিভ করে বলে, “সরি ভাই” বলেই লাইন কেটে দেন