Dhaka ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ক্যাম্পাসে বাধনের অভিযান

জাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

 

ডেঙ্গু মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাধন’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে অভিযান পরিচালনা করেছে।

বুধবার ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কিটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ড. কবিরুল বাশার এবং বাধনের সদস্যরা অংশ নেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপ-উপাচার্যদ্বয় ও অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার শহীদ সালাম-বরকত হল প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল শনাক্ত করে ধ্বংস করেন।

আয়োজকরা জানান, বাধনের সদস্যদের ১০টি দলে ভাগ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ডেঙ্গু মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ক্যাম্পাসে বসবাসকারী অন্যান্যদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করা হয়।

কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ক্যাম্পাসে বাধনের অভিযান

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ডেঙ্গু মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাধন’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে অভিযান পরিচালনা করেছে।

বুধবার ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কিটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ড. কবিরুল বাশার এবং বাধনের সদস্যরা অংশ নেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপ-উপাচার্যদ্বয় ও অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার শহীদ সালাম-বরকত হল প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল শনাক্ত করে ধ্বংস করেন।

আয়োজকরা জানান, বাধনের সদস্যদের ১০টি দলে ভাগ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ডেঙ্গু মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ক্যাম্পাসে বসবাসকারী অন্যান্যদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করা হয়।

কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।