Dhaka ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

সোমবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ এখনো ব্রিকসের সদস্য নয়। অংশীদার হওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নীতি এখনো স্পষ্ট নয়।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রিজারভেশন তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। এ সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।

স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। সরকার ও বিরোধী দল সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার

প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

সোমবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ এখনো ব্রিকসের সদস্য নয়। অংশীদার হওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নীতি এখনো স্পষ্ট নয়।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রিজারভেশন তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। এ সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।

স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। সরকার ও বিরোধী দল সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।