Dhaka ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শিশুদের জন্য বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ: রেড ক্রস দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে: চরমোনাই পীর দেশজুড়ে আগামী ২ দিন ভারী বর্ষণের আভাস ঝিনাইদহে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরদের প্রশিক্ষণ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের অভিনন্দন ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ বাইকের সেই মেয়েটি সম্পর্কে যেসব তথ্য মিলল কুপিয়ে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন, ১৭ ঘণ্টা পর ছেলে গ্রেপ্তার নতুন দায়িত্ব পেলেন উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন

দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে: চরমোনাই পীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 6

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের তৈরি করো। দেশ ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে তোমাদের গড়ে উঠতে হবে। নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও আদর্শিক চেতনার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শাহবাগে শহীদ ওসমান হাদী চত্বরে এ ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের ছাত্র সংগঠন রয়েছে। কিন্তু ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আদর্শভিত্তিক ছাত্র সংগঠন। অন্যান্য অনেক ছাত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে অরাজকতা, সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও নানা ধরনের অপকর্মের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর বিপরীতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শকে ধারণ করে সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রজীবন হচ্ছে নিজেকে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান, চরিত্র, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মীদেরকে নিজেদের আদর্শিকভাবে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।’

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শুধু একটি ছাত্র সংগঠন নয়; এটি একটি আদর্শিক আন্দোলনের প্রশিক্ষণকেন্দ্র। এখান থেকে এমন নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে, যারা সততা, ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা যদি নিজেদেরকে ইসলামের নীতি-আদর্শে গুণান্বিত করতে পারি, তাহলে আমাদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পতাকা পতপত করে উড়বে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিন আল মাদানী, আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সংগ্রামী সভাপতি শেখ ফজলুল করিম মারুফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সভাপতি ও ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল করিম আকরাম, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ-এর সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম আবরার, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি এ বি এম জাকারিয়া এবং ইসলামী আইনজীবী পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হানিফ মিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান, হোসাইন ইবনে সরোয়ার, ইমরান হোসাইন নূর, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম খলীল।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে: চরমোনাই পীর

প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের তৈরি করো। দেশ ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে তোমাদের গড়ে উঠতে হবে। নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও আদর্শিক চেতনার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শাহবাগে শহীদ ওসমান হাদী চত্বরে এ ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের ছাত্র সংগঠন রয়েছে। কিন্তু ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আদর্শভিত্তিক ছাত্র সংগঠন। অন্যান্য অনেক ছাত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে অরাজকতা, সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও নানা ধরনের অপকর্মের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর বিপরীতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শকে ধারণ করে সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রজীবন হচ্ছে নিজেকে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান, চরিত্র, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মীদেরকে নিজেদের আদর্শিকভাবে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।’

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শুধু একটি ছাত্র সংগঠন নয়; এটি একটি আদর্শিক আন্দোলনের প্রশিক্ষণকেন্দ্র। এখান থেকে এমন নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে, যারা সততা, ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা যদি নিজেদেরকে ইসলামের নীতি-আদর্শে গুণান্বিত করতে পারি, তাহলে আমাদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পতাকা পতপত করে উড়বে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিন আল মাদানী, আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সংগ্রামী সভাপতি শেখ ফজলুল করিম মারুফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সভাপতি ও ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল করিম আকরাম, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ-এর সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম আবরার, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি এ বি এম জাকারিয়া এবং ইসলামী আইনজীবী পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হানিফ মিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান, হোসাইন ইবনে সরোয়ার, ইমরান হোসাইন নূর, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম খলীল।