Dhaka ১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

কালুখালী (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 167

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে নির্মাণসামগ্রী পাশের খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের শিকজান গ্রামের মৃত চাঁদ আলী ফকিরের ছেলে মো. আব্দুল আলিম ফকির ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বড় কলকলিয়া মৌজার বিএস ১৭৬১ নম্বর দাগের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি একই গ্রামের সুকুমার চন্দ্র মণ্ডল ও অন্যদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে তিনি তা ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সেখানে বসবাসের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২০ জুন দুপুরে খড়খড়িয়া গ্রামের মৃত রোস্তম খানের ছেলে বিল্লা খান, মাহবুব খান এবং মঞ্জু খানসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি ওই বাড়িতে গিয়ে বসতঘর, রান্নাঘর, গবাদিপশুর ঘর ও বাড়ির চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন। পরে টিনের চালা ও সিমেন্টের খুঁটি পাশের খালে ফেলে দেন। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া বিছানার নিচে রাখা এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন আব্দুল আলিম ফকির। বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত দেখা গেছে। বাড়ির টিনের চালার কিছু অংশ পাশের খালে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

মো. আব্দুল আলিম ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন আগে বৈধভাবে জমিটি কিনেছি। জমির মিউটেশনসহ সব কাগজপত্র ঠিক আছে। বিরোধ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিন্তু আমার বসতঘর ভেঙে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত বিল্লা খানসহ অন্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে নির্মাণসামগ্রী পাশের খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের শিকজান গ্রামের মৃত চাঁদ আলী ফকিরের ছেলে মো. আব্দুল আলিম ফকির ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বড় কলকলিয়া মৌজার বিএস ১৭৬১ নম্বর দাগের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি একই গ্রামের সুকুমার চন্দ্র মণ্ডল ও অন্যদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে তিনি তা ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সেখানে বসবাসের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২০ জুন দুপুরে খড়খড়িয়া গ্রামের মৃত রোস্তম খানের ছেলে বিল্লা খান, মাহবুব খান এবং মঞ্জু খানসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি ওই বাড়িতে গিয়ে বসতঘর, রান্নাঘর, গবাদিপশুর ঘর ও বাড়ির চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন। পরে টিনের চালা ও সিমেন্টের খুঁটি পাশের খালে ফেলে দেন। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া বিছানার নিচে রাখা এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন আব্দুল আলিম ফকির। বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত দেখা গেছে। বাড়ির টিনের চালার কিছু অংশ পাশের খালে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

মো. আব্দুল আলিম ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন আগে বৈধভাবে জমিটি কিনেছি। জমির মিউটেশনসহ সব কাগজপত্র ঠিক আছে। বিরোধ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিন্তু আমার বসতঘর ভেঙে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত বিল্লা খানসহ অন্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।