Dhaka ০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতোর মালা, নিন্দা ও ক্ষোভ ‘জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার’ ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশিদের শ্রম ভিসা সাময়িক বন্ধ করল লাওস

বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্যে সময় বদ্ধ পদক্ষেপের মাধ্যমে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি ।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে : বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ‘আমরা শুধু শুনতে চাই না, কার্যকর রেসপন্স করতে চাই’-উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এ অংশীদারিত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দিতে হবে।

এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, এ বিষয়ে সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই।

স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শীতলপাটিসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন এবং কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যালু ফর মানি’, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা-এই চারটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্যে সময় বদ্ধ পদক্ষেপের মাধ্যমে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি ।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে : বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ‘আমরা শুধু শুনতে চাই না, কার্যকর রেসপন্স করতে চাই’-উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এ অংশীদারিত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দিতে হবে।

এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, এ বিষয়ে সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই।

স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শীতলপাটিসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন এবং কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যালু ফর মানি’, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা-এই চারটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।