Dhaka ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শিগগিরই সৌ‌দি আরব সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে তিনশ’র আগেই অলআউট বাংলাদেশ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিমান থেকে অভিজিৎ দীপকেসহ ককরোচ পার্টির ৩ শীর্ষ নেতা আটক ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ সিজেপিকে মোকাবিলায় নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, ৩ শতাধিক ক্যামেরা বীথির মৃত্যু: সেবার পেশায় থেকেও অপচিকিৎসার বলি! বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২ দিন ব্যাপী বাংলা উৎসব॥ সহস্রাধিক শিশ-কিশোরের ঊচ্ছ্বাস পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয় ঘোষণা প্রেসিডেন্টের

নওগাঁ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি: মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪

খোরশেদ আলম, নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 168

নওগাঁ জেলা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রায়ের অপেক্ষমাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় চুরি হওয়া মামলার নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে সন্ধ্যায় নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তিনি জানান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর দায়রা মামলা নম্বর ৯০৪/২০২২-এর রায় ঘোষণার আগে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হয়ে গেছে। একই সঙ্গে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আদালতের এক কর্মচারীর কাছে ফোন করে নথি ফেরতের বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসিবুল্লাহ হাসিবকে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

এরপর ডিবির একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের সিংবাচা বাজার এলাকা থেকে এস এম আকাশ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। তিনি সিংবাচা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ তার বাড়ির আঙিনায় খড়ের পালার ভেতর লুকিয়ে রাখা চুরি হওয়া মামলার নথি বের করে দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর ও আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন—যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর পিয়ন পলাশ, তার ভাই সাপাহার সাব-জজ আদালতের পিয়ন আরিফ এবং আদালতের মুহুরী সবুজ (৪০)।

পুলিশ জানিয়েছে, এস এম আকাশ আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছেন।

এ ঘটনায় আর কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে নথি চুরি করা হয়েছিল, তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নওগাঁ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি: মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নওগাঁ জেলা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রায়ের অপেক্ষমাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় চুরি হওয়া মামলার নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে সন্ধ্যায় নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তিনি জানান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর দায়রা মামলা নম্বর ৯০৪/২০২২-এর রায় ঘোষণার আগে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হয়ে গেছে। একই সঙ্গে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আদালতের এক কর্মচারীর কাছে ফোন করে নথি ফেরতের বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসিবুল্লাহ হাসিবকে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

এরপর ডিবির একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের সিংবাচা বাজার এলাকা থেকে এস এম আকাশ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। তিনি সিংবাচা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ তার বাড়ির আঙিনায় খড়ের পালার ভেতর লুকিয়ে রাখা চুরি হওয়া মামলার নথি বের করে দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর ও আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন—যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর পিয়ন পলাশ, তার ভাই সাপাহার সাব-জজ আদালতের পিয়ন আরিফ এবং আদালতের মুহুরী সবুজ (৪০)।

পুলিশ জানিয়েছে, এস এম আকাশ আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছেন।

এ ঘটনায় আর কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে নথি চুরি করা হয়েছিল, তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।