ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
- প্রকাশের সময় : ১২:১৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
- / 16
ঈদের আগে রফতানিকারকদের জন্য আবারও স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হওয়া রফতানি খাতের বকেয়া নগদ প্রণোদনা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) বাবদ ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকাই পেয়েছে দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প।
শনিবার (১৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমা হওয়া সব আবেদন নিষ্পত্তি করে এ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। মোট প্রণোদনার প্রায় ৯৩ দশমিক ৫ শতাংশ, অর্থাৎ ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা পেয়েছে তৈরি পোশাক খাত। অবশিষ্ট অর্থ পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানির বিপরীতে পরিশোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রফতানিকারকদের প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের ফলে তাদের তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং রফতানি খাতের গতি ধরে রাখতে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রফতানি আয় বাড়ানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ শক্তিশালী করতে সরকার বিভিন্ন সময়ে নগদ সহায়তা দিয়ে আসছে। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী রফতানিকারকরা পণ্য রফতানির বিপরীতে এই প্রণোদনা পেয়ে থাকেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে নগদ সহায়তার আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তবে চলতি অর্থবছরে বকেয়া আবেদনগুলো পরিশোধের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই চাপ অনেকটাই কমাতে পেরেছে। এমন পদক্ষেপ রফতানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতেও সহায়ক হবে বলে মনে করছেন তারা।
চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মতোই জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রফতানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা বহাল রেখেছে সরকার। জাহাজীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে সর্বনিম্ন শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মোট ৪৩টি পণ্য ও সেবা খাত এই সুবিধার আওতায় রয়েছে।




















