আরও চার কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
- প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / 11
আরও চার কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এ ডলার কেনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
আরিফ হোসেন খান বলেন, বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি। রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় বাজারমূল্য ধরে রাখতে গত জুলাই থেকে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত মোট ৫৮৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু মে মাসে কেনা হলো ২১ কোটি লাখ ডলার। ডলার কেনা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে, মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে। এতে এক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে গত বছরের ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল। গত ১৫ জুলাই ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই এক কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়েছিল।
গত ৭ আগস্ট চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, গত ১০ আগস্ট আট কোটি ৩০ লাখ ডলার, ১৪ আগস্ট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ২৮ আগস্ট ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, ২ সেপ্টেম্বর চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার, ৪ সেপ্টেম্বর ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ সেপ্টেম্বর ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১৫ সেপ্টেম্বর ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২২ সেপ্টেম্বর ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ৬ অক্টোবর ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ অক্টোবর ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং ২৪ অক্টোবর তিন কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।
এছাড়া গত ৯ ডিসেম্বর ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার, ১১ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ১৭ ডিসেম্বর ছয় কোটি ৭০ লাখ ডলার, ২১ ডিসেম্বর ছয় কোটি ডলার, ২৯ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ৩০ ডিসেম্বর আট কোটি ৯০ লাখ ডলার, ৬ জানুয়ারি ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, ৮ জানুয়ারি ২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি আট কোটি ১০ লাখ ডলার, ২০ জানুয়ারি চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২৯ জানুয়ারি পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২ ফেব্রুয়ারি ২১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার, ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১০ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ২২ ফেব্রুয়ারি ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৪ ফেব্রুয়ারি আট কোটি ৭০ লাখ ডলার, ২ মার্চ দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১৬ এপ্রিল পাঁচ কোটি ডলার, ৪ মে তিন কোটি ডলার, ৫ মে পাঁচ কোটি ডলার, ১১ মে চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ মে দুই কোটি ডলার এবং ১৩ মে দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।























