দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
- প্রকাশের সময় : ০১:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / 11
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
একইসঙ্গে তদন্তাধীন মামলাটির প্রতিবেদন আগামী ৭ জুন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গত ৭ মে এ আদেশ দিয়েছিলেন।
মামলার তদন্ত সংস্থার আবেদনের পর দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিতে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম দাবি করেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের সময় দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে প্রচার করেন।
এছাড়া সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়। সে সময় মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ফারজানা রুপা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রতিবেদক ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাদের আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হলে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
শাপলা চত্বরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে আবেদন করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মামুনুল হকের পক্ষে করা ওই অভিযোগে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।






















