সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন
- প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
- / 20
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৫টি, সংশোধিত ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪টি প্রকল্পের। বড় অঙ্কের এই অনুমোদনের পাশাপাশি প্রকল্পে একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে চলতি অর্থবছরের দশম এবং বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
একনেক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের জন্য তালিকায় ছিল মোট ১৭টি প্রকল্প, তবে সভায় ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
সভায় বিভিন্ন খাতের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলেও ব্যয় ও বাস্তবায়ন দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সড়ক খাতের কয়েকটি প্রকল্পে একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের সড়ক উন্নয়ন এবং সেতু নির্মাণসংক্রান্ত তিনটি প্রকল্পে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এ দীর্ঘসূত্রতার কারণ খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘নগর জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ’ প্রকল্প, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধন)’ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প।
এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় একাধিক প্রকল্প, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সেতু ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন রেললাইন নির্মাণসংক্রান্ত প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।























