Dhaka ১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হামের টিকা না দেয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকার গত ২ মাসে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে : প্রেস সচিব স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সভা নওগাঁর পোরশা থানায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চোরাকারবারি আটক আসামির স্ত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে ধরে ফেলল এলাকাবাসী সংসদ বয়কট করলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়: স্পিকার কোটালীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রশংসিত হচ্ছে : মাহদী আমিন

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 11

সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও দিরাই উপজেলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ধর্মপাশায় দু’জনের মৃত্যু
ধর্মপাশা উপজেলায় বজ্রপাতে হবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩) নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। হবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।

জানা যায়, হবিবুর রহমান তার চাচার সঙ্গে টগার হাওর সংলগ্ন চকিয়াচাপুর গ্রামে বোরো ধান কাটতে যান। দুপুরের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত হলে তিনি ও কয়েকজন আহত হন। পরে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় জয়নাল হক, তার ছেলে রহমত উল্লাহ ও লাল সাধুর স্ত্রী শিখা মনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে জয়নাল হক ও শিখা মনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জামালগঞ্জে একজনের মৃত্যু
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে বজ্রপাতে নুরুজ্জামান নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার চাচাতো ভাই গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দিরাইয়ে দু’জনের মৃত্যু
দিরাই উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কালিয়াগোটা হাওরের একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া, দুপুরে দিরাই উপজেলার তাহিরপুরে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) নামের একজন বজ্রপাতে মারা যান। এ সময় আরেকজন আহত হন। নিহত কালা মিয়া উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের আবু বকরের ছেলে। জামলাবাজ গ্রামের সামনে একটি হাসেঁর খামারে এ ঘটনা ঘটে। দুইজনেই ওই খামারে কাজ করছিলেন।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বজনরা লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও দিরাই উপজেলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ধর্মপাশায় দু’জনের মৃত্যু
ধর্মপাশা উপজেলায় বজ্রপাতে হবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩) নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। হবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।

জানা যায়, হবিবুর রহমান তার চাচার সঙ্গে টগার হাওর সংলগ্ন চকিয়াচাপুর গ্রামে বোরো ধান কাটতে যান। দুপুরের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত হলে তিনি ও কয়েকজন আহত হন। পরে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় জয়নাল হক, তার ছেলে রহমত উল্লাহ ও লাল সাধুর স্ত্রী শিখা মনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে জয়নাল হক ও শিখা মনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জামালগঞ্জে একজনের মৃত্যু
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে বজ্রপাতে নুরুজ্জামান নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার চাচাতো ভাই গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দিরাইয়ে দু’জনের মৃত্যু
দিরাই উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কালিয়াগোটা হাওরের একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া, দুপুরে দিরাই উপজেলার তাহিরপুরে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) নামের একজন বজ্রপাতে মারা যান। এ সময় আরেকজন আহত হন। নিহত কালা মিয়া উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের আবু বকরের ছেলে। জামলাবাজ গ্রামের সামনে একটি হাসেঁর খামারে এ ঘটনা ঘটে। দুইজনেই ওই খামারে কাজ করছিলেন।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বজনরা লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।