Dhaka ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আজ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 121

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সিটি করপোরেশন এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন বা ব্লেন্ডেড শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা হতে পারে। এক দিন পরপর অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস চলবে। অনলাইন ক্লাসের সময়ও শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে এবং ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সশরীরেই নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে মিশ্র পদ্ধতির শিক্ষা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। রমজানের ছুটি ও বিভিন্ন কারণে কিছু ক্লাস না হওয়ায় বর্তমানে শনিবারসহ সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চলছে, তবে নতুন সিদ্ধান্তে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

এক জরিপ অনুযায়ী প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশীজন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণের কথা বিবেচনা করে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে ব্লেন্ডেড পদ্ধতি ভাবা হচ্ছে।

এদিকে, বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পেরেন্টস ফোরাম এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালু হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বিশেষ করে সামনে পরীক্ষা থাকায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিভাবকদের দাবি, অনলাইন ক্লাস স্কুলপর্যায়ে কার্যকর নয় এবং এতে পড়াশোনার মান কমে যায়। পাশাপাশি ইন্টারনেট ও ডিভাইসের খরচ বাড়ায় পরিবারে আর্থিক চাপ তৈরি হয়।

বিকল্প হিসেবে তারা সপ্তাহে চার দিন সশরীরে ক্লাস চালু রেখে বাকি তিন দিন স্কুল বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া স্কুলের সময় কমানো, এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাস ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না করে দ্রুত একটি শিক্ষাবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আজ

প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সিটি করপোরেশন এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন বা ব্লেন্ডেড শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা হতে পারে। এক দিন পরপর অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস চলবে। অনলাইন ক্লাসের সময়ও শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে এবং ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সশরীরেই নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে মিশ্র পদ্ধতির শিক্ষা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। রমজানের ছুটি ও বিভিন্ন কারণে কিছু ক্লাস না হওয়ায় বর্তমানে শনিবারসহ সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চলছে, তবে নতুন সিদ্ধান্তে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

এক জরিপ অনুযায়ী প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশীজন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণের কথা বিবেচনা করে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে ব্লেন্ডেড পদ্ধতি ভাবা হচ্ছে।

এদিকে, বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পেরেন্টস ফোরাম এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালু হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বিশেষ করে সামনে পরীক্ষা থাকায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিভাবকদের দাবি, অনলাইন ক্লাস স্কুলপর্যায়ে কার্যকর নয় এবং এতে পড়াশোনার মান কমে যায়। পাশাপাশি ইন্টারনেট ও ডিভাইসের খরচ বাড়ায় পরিবারে আর্থিক চাপ তৈরি হয়।

বিকল্প হিসেবে তারা সপ্তাহে চার দিন সশরীরে ক্লাস চালু রেখে বাকি তিন দিন স্কুল বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া স্কুলের সময় কমানো, এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাস ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না করে দ্রুত একটি শিক্ষাবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিভাবকরা।