Dhaka ১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে পোরশায় হাতুড়ে চিকিৎসক দিয়ে সিজার, নবজাতকের মৃত্যু : ক্লিনিক মালিকসহ গ্রেপ্তার ৪ ঝিনাইদহে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা কালুখালীর শিকজান বাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে পুলিশের পরামর্শ ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে আ. লীগের সঙ্গে বৈঠক: সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেন নাহিদ

পাংশায় দোকানের পজিশন বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পাংশা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 134

রাজবাড়ীর পাংশা বাজারে অবস্থিত বিসমিল্লাহ টাওয়ারে দোকানের পজিশন (দখল) বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ১৭ জন পজিশনধারী। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন মার্কেটের মালিক পক্ষ।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে পাংশায় বিসমিল্লাহ টাওয়ার মার্কেটের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. আমিরুল ইসলাম (ইকু), নিখিল সরকার, মো. মাখনলাল, বাবুল চৌধুরী, মো. আবু হানিফ সরদার, এ কে এম আব্দুল আলী, বিমল দে, সুশান্ত কুমার নাগ, মো. মতিয়ার রহমান, ববিতা সরকার স্বপ্না, মো. ইসলাম শেখ, অশিষ কুমার ভদ্র, মিরাজুল ইসলাম ও বিজয় ভদ্রসহ মোট ১৭ জন পজিশনধারী।

তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রয়োজনীয় দলিলপত্র ও ডিড ডকুমেন্টসহ সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও মার্কেট নির্মাণের শুরু থেকেই তাদের দোকানের পজিশন বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রায় দুই বছর পার হয়ে গেলেও এখনো তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, মার্কেটের অধিকাংশ দোকানের পজিশন ইতোমধ্যে বিক্রি ও বুঝিয়ে দেওয়া হলেও তাদের দোকানঘরের পজিশন এখনো দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেট মালিক পক্ষ বিভিন্ন সময় নানা তালবাহানা করে বিষয়টি এড়িয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ সময় তারা দ্রুত তাদের ক্রয়কৃত দোকানের পজিশন বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পাংশা বাজার বণিক সমিতির কাছেও মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মার্কেট মালিক পক্ষের মো. নিজাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, অভিযোগকারীদের কাছে তারা কোনো দোকানের পজিশন বিক্রি করেননি। তবে তাদের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল, যেখানে দোকানের নির্মাণ খরচ তারা পরিশোধ করবেন বলে কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই নির্মাণ খরচ তারা পরিশোধ করেননি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশায় দোকানের পজিশন বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ০১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর পাংশা বাজারে অবস্থিত বিসমিল্লাহ টাওয়ারে দোকানের পজিশন (দখল) বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ১৭ জন পজিশনধারী। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন মার্কেটের মালিক পক্ষ।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে পাংশায় বিসমিল্লাহ টাওয়ার মার্কেটের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. আমিরুল ইসলাম (ইকু), নিখিল সরকার, মো. মাখনলাল, বাবুল চৌধুরী, মো. আবু হানিফ সরদার, এ কে এম আব্দুল আলী, বিমল দে, সুশান্ত কুমার নাগ, মো. মতিয়ার রহমান, ববিতা সরকার স্বপ্না, মো. ইসলাম শেখ, অশিষ কুমার ভদ্র, মিরাজুল ইসলাম ও বিজয় ভদ্রসহ মোট ১৭ জন পজিশনধারী।

তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রয়োজনীয় দলিলপত্র ও ডিড ডকুমেন্টসহ সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও মার্কেট নির্মাণের শুরু থেকেই তাদের দোকানের পজিশন বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রায় দুই বছর পার হয়ে গেলেও এখনো তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, মার্কেটের অধিকাংশ দোকানের পজিশন ইতোমধ্যে বিক্রি ও বুঝিয়ে দেওয়া হলেও তাদের দোকানঘরের পজিশন এখনো দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেট মালিক পক্ষ বিভিন্ন সময় নানা তালবাহানা করে বিষয়টি এড়িয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ সময় তারা দ্রুত তাদের ক্রয়কৃত দোকানের পজিশন বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পাংশা বাজার বণিক সমিতির কাছেও মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মার্কেট মালিক পক্ষের মো. নিজাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, অভিযোগকারীদের কাছে তারা কোনো দোকানের পজিশন বিক্রি করেননি। তবে তাদের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল, যেখানে দোকানের নির্মাণ খরচ তারা পরিশোধ করবেন বলে কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই নির্মাণ খরচ তারা পরিশোধ করেননি।