Dhaka ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 150

 

৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এই কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

এই কমিটি মূলত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত নকশা বা ডিজাইন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে সেখানে এই কার্ড প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, কমিটি তা পর্যালোচনা করবে। এ ছাড়া সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ করবে এই কমিটি।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এই কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

এই কমিটি মূলত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত নকশা বা ডিজাইন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে সেখানে এই কার্ড প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, কমিটি তা পর্যালোচনা করবে। এ ছাড়া সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ করবে এই কমিটি।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখবে।