Dhaka ০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আবাসন মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধ : ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধির সুপারিশ সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী কমলো সোনার দাম ইরানের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে ‘পালিয়েছে’ মার্কিন বাহিনী সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের

তথ্য দিতে গড়িমসি কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার

কালুখালী প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 116

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খোন্দকার আবু বকর সিদ্দিক এর নিকট তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও পাওয়া যায়নি তথ্য ।

তিনি কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষা, অবৈধ মাছ ধরার জাল বিনষ্ট না করা, নিয়িমিত বাজার তদারকি না করা, জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচী, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এসকল অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত পহেলা জুলাই তথ্য চেয়ে আবেদন করেন স্থানীয় একজন সাংবাদিক। সেখানে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে মা ইলিশ রক্ষা, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচী ও ২০২৩ ও ২০২৪ সালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনের বাজেট ও বিস্তারিত ব্যায়ের হিসাব চাওয়া হয়। দীর্ঘদিন গড়িমসি করে আগস্ট মাসের ৭ তারিখে তথ্য দেন তিনি। সেখানে তিনি ২০২৩ এ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনে ৬০ হাজার টাকা বাজেট পান এবং খরচ করেন ৬০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে বাজেট পান ৬৫ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৬৫ হাজার টাকা। জাটকা সংরক্ষন কর্মসূচীতে ২০২৩ সালে পান ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৪ সালে পান ৭৫ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৭৫ হাজার টাকা। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২০২৩ সালে পান ৫০ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৫০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে পান ৪০ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৪০ হাজার টাকা।

প্রাপ্ত বাজেটের টাকা কোন খাতে কত খরচ করেছেন সেরকম কোনো তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি যা বরাদ্দ পেয়েছি তার সব টাকাই খরচ করেছি। কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছি তা আপনি দেখতে পারেন না। আমাদের অডিট যখন হয় তখন তারা দেখবে। আপনি দেখার কেউ না।

এ ব্যাপারে কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহুয়া আফরোজ বলেন, তথ্য জানার অধিকার দেশের সকল জনগনের রয়েছে। মৎস্য কর্মকর্তা এরকম তথ্য দিতে পারেন না। তিনি অবশ্যই আপনার চাহিত বিস্তারিত তথ্য দিবেন। কেন তিনি তথ্য দেন নি তা আমার বোধগোম্য নয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তথ্য দিতে গড়িমসি কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার

প্রকাশের সময় : ১০:৩৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খোন্দকার আবু বকর সিদ্দিক এর নিকট তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও পাওয়া যায়নি তথ্য ।

তিনি কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষা, অবৈধ মাছ ধরার জাল বিনষ্ট না করা, নিয়িমিত বাজার তদারকি না করা, জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচী, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এসকল অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত পহেলা জুলাই তথ্য চেয়ে আবেদন করেন স্থানীয় একজন সাংবাদিক। সেখানে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে মা ইলিশ রক্ষা, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচী ও ২০২৩ ও ২০২৪ সালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনের বাজেট ও বিস্তারিত ব্যায়ের হিসাব চাওয়া হয়। দীর্ঘদিন গড়িমসি করে আগস্ট মাসের ৭ তারিখে তথ্য দেন তিনি। সেখানে তিনি ২০২৩ এ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনে ৬০ হাজার টাকা বাজেট পান এবং খরচ করেন ৬০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে বাজেট পান ৬৫ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৬৫ হাজার টাকা। জাটকা সংরক্ষন কর্মসূচীতে ২০২৩ সালে পান ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৪ সালে পান ৭৫ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৭৫ হাজার টাকা। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২০২৩ সালে পান ৫০ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৫০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে পান ৪০ হাজার টাকা এবং খরচ করেন ৪০ হাজার টাকা।

প্রাপ্ত বাজেটের টাকা কোন খাতে কত খরচ করেছেন সেরকম কোনো তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি যা বরাদ্দ পেয়েছি তার সব টাকাই খরচ করেছি। কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছি তা আপনি দেখতে পারেন না। আমাদের অডিট যখন হয় তখন তারা দেখবে। আপনি দেখার কেউ না।

এ ব্যাপারে কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহুয়া আফরোজ বলেন, তথ্য জানার অধিকার দেশের সকল জনগনের রয়েছে। মৎস্য কর্মকর্তা এরকম তথ্য দিতে পারেন না। তিনি অবশ্যই আপনার চাহিত বিস্তারিত তথ্য দিবেন। কেন তিনি তথ্য দেন নি তা আমার বোধগোম্য নয়।