Dhaka ০১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ শারদীয় দুর্গাপূজার ষষ্ঠী আজ, দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপে আয়োজন দুর্গাপূজায় সীমান্তবর্তী জেলার বাইরে গোপালগঞ্জসহ ৩ জেলায় বিজিবি মোতায়েন নওগাঁয় ৫০ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা তদারকিতে বিজিবি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দু’পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১ নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা মেসির উঁচিয়ে ধরা বিশ্বকাপ ট্রফি নিলামে তোলা হচ্ছে নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি গঠন স্থগিত

‘পুলিশ কারও কথা শোনে না, সরকার বলে কিছু আছে?’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 97

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, সব সংস্কারের আগে পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “কোনো এলাকায় পুলিশ কারও কথা শোনে না। সরকার বলে কিছু আছে? সাদা পাথর চলে যায়, বালু চলে যায়, সরকার ঠেকাতে পারে না।”

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মান্না বলেন, প্রফেসর ইউনূস ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন পুলিশ সার্ভিসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কিন্তু ১৩ মাস পার হলেও পুলিশের সংস্কার হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের ভেতরে ভয় ও অনীহা কাজ করছে, ফলে তারা দায়িত্ব পালন করতে চায় না।

নির্বাচনের দিন নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা জানিয়ে মান্না বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ হচ্ছে। রাতে প্রক্টর-প্রো ভাইস চ্যান্সেলররা ফেসবুকে কাঁদছেন—‘আমাদের বাঁচান’। অথচ কেউ এগিয়ে আসছে না। তাহলে ভোটের দিনও প্রার্থীদের ওপর হামলা হবে, তারা বাঁচতে চাইবে, কিন্তু কেউ রক্ষা করতে পারবে না।”

ড. ইউনূসের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আপনি বললেই হবে না ‘নির্বাচন হবেই’। কারণ আপনি পাথর আটকাতে পারেন না, বালু আটকাতে পারেন না, ধর্ষণ আটকাতে পারেন না। সরকার চালাতে হলে সব রাজনৈতিক দল ও স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।”

সব দল ও স্টেকহোল্ডারদের একসঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে মান্না বলেন, “আলাদা করে তিন দল, সাত দল ডেকে লাভ নেই। একসঙ্গে ডাকুন। আর্মি, পুলিশ, রাজনৈতিক দল—সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।” তিনি আরও দাবি করেন, গ্রামে ইতোমধ্যেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মানুষ এখন রাজনীতি বুঝতে চায়, সংস্কার বুঝতে চায়, কীভাবে দেশের ভালো হবে সেটি জানতে চায়।

আলোচনা সভায় গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘পুলিশ কারও কথা শোনে না, সরকার বলে কিছু আছে?’

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, সব সংস্কারের আগে পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “কোনো এলাকায় পুলিশ কারও কথা শোনে না। সরকার বলে কিছু আছে? সাদা পাথর চলে যায়, বালু চলে যায়, সরকার ঠেকাতে পারে না।”

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মান্না বলেন, প্রফেসর ইউনূস ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন পুলিশ সার্ভিসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কিন্তু ১৩ মাস পার হলেও পুলিশের সংস্কার হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের ভেতরে ভয় ও অনীহা কাজ করছে, ফলে তারা দায়িত্ব পালন করতে চায় না।

নির্বাচনের দিন নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা জানিয়ে মান্না বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ হচ্ছে। রাতে প্রক্টর-প্রো ভাইস চ্যান্সেলররা ফেসবুকে কাঁদছেন—‘আমাদের বাঁচান’। অথচ কেউ এগিয়ে আসছে না। তাহলে ভোটের দিনও প্রার্থীদের ওপর হামলা হবে, তারা বাঁচতে চাইবে, কিন্তু কেউ রক্ষা করতে পারবে না।”

ড. ইউনূসের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আপনি বললেই হবে না ‘নির্বাচন হবেই’। কারণ আপনি পাথর আটকাতে পারেন না, বালু আটকাতে পারেন না, ধর্ষণ আটকাতে পারেন না। সরকার চালাতে হলে সব রাজনৈতিক দল ও স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।”

সব দল ও স্টেকহোল্ডারদের একসঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে মান্না বলেন, “আলাদা করে তিন দল, সাত দল ডেকে লাভ নেই। একসঙ্গে ডাকুন। আর্মি, পুলিশ, রাজনৈতিক দল—সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।” তিনি আরও দাবি করেন, গ্রামে ইতোমধ্যেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মানুষ এখন রাজনীতি বুঝতে চায়, সংস্কার বুঝতে চায়, কীভাবে দেশের ভালো হবে সেটি জানতে চায়।

আলোচনা সভায় গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।