Dhaka ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভোজ্যতেল, ডিম ও চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চায় স্থায়ী কমিটি দিল্লিতে আবাসিক এলাকায় আবারো ভবনধস যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর, আটকে দিলো পুলিশ ধর্ম-বর্ণ-পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

‘হেনা কোথায়?’, ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন শাবনাজ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 426

একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনাজ। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সিনেমা থেকে দূরে। তবে পর্দার আড়ালে থাকলেও হঠাৎ করেই ভাইরাল হলেন এ অভিনেত্রী। তার অভিনীত সিনেমার বিখ্যাত এক সংলাপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বেশ হাস্যরস।

হঠাৎ করে সবাই মজেছেন বাপ্পারাজের হেনায় (শাবনাজ)।

১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার ‘হেনা’র দৃশ্যটি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। সিনেমাটিতে বাপ্পারাজ ও শাবনাজ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সিনেমার একপর্যায়ে নায়ক বকুল (বাপ্পারাজ) দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফিরে তার প্রেমিকা হেনার (শাবনাজ) বাড়ি সাজানো দেখতে পান।

তিনি হেনার বাবাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘চাচা, বাড়িঘর এত সাজানো কেন? চাচা, হেনা কোথায়?’ জবাবে চাচা বলেন, ‘হেনাকে তুমি ভুলে যাও, হেনার বিয়ে হয়ে গেছে।’ বকুল তখন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘না না, হেনার বিয়ে হতে পারে না। এ আমি বিশ্বাস করি না।’ এরপর ‘প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছিঁড়ে, পাখি যায় উড়ে যায়’ গানটি বাজতে থাকে।

অনেকেই এই দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করছেন এবং নিজেদের মতামত ও অনুভূতি প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন পেজ, গ্রুপে বানানো হচ্ছে মিমস। মানুষের কমেন্ট বক্সেও অহরহ দেখা যাচ্ছে এই মিমস। তবে ঠিক কী কারণে এই সংলাপটি হঠাৎ করে ভাইরাল হলো, তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে নতুন করে পুরনো সিনেমার সংলাপ ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে শাবনাজ গণমাধ্যমকে বললেন, ‘আমি আর বাপ্পা ভাই তো খুব মজা নিচ্ছি।

তবে ভালো লাগছে, মানুষ যে ছবিটার কথা এখন আবার মনে করছে। নায়ক-নায়িকার আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে নিজেরা কানেক্ট করতে পারছেন। ছবিটা তখনো প্রশংসিত হয়েছে। এখনো প্রশংসিত হচ্ছে। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে এটা তো অনেক বড় পাওয়া। মুক্তির পর মানুষ ছবি দেখে, সেই সময়ে হয়তো হিট হয় বা আলোচিত হয়। এরপর তো মানুষ ভুলে যায়। কারণ, এত বছরে এত এত ছবি মুক্তি পেয়েছে, এত এত নতুন গল্প, নতুন সব কিছু—এর মধ্যে ২৯ বছর আগের সেই ছবির কথা ভুলে যাওয়ারই কথা। কিন্তু সেখানে আবার পুরো গল্প নিয়ে, পুরনো কথা নিয়ে চর্চা হচ্ছে—সত্যি খুব ভালো লাগছে।’

শাবনাজ আরো বলেন, ‘একটা ভালো সিনেমার শক্তি কত বেশি। এত বছর পরও এ প্রজন্ম সেই ছবির সংলাপ, দৃশ্য ও গানের সঙ্গে নিজেদের কানেক্ট করছে—এটাই ভীষণ ভালো লাগার। কারণ, এ প্রজন্মের ছেলে–মেয়েদের চিন্তাভাবনা তো একেবারেই আলাদা। অন্যরকম। তাদের সঙ্গে আমাদের বিশাল দূরত্বও। এরপরও তারা কানেক্ট করছে। আসলে আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা তো একই রকম। সর্বজনীন। আবেগ সব প্রজন্মেরই একই রকম। তাই ঠিকঠাকভাবে গল্প উপস্থাপন করতে পারলে তাতে সব প্রজন্মই কানেক্ট করতে পারবেই।’

১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বাপ্পারাজ ও শাবনাজ। সিনেমাটিতে হেনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাবনাজ। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনাজ, যিনি ১৯৯১ সালে ‘চাঁদনী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন। তার আসল নাম সাবরীনা তানিয়া। ১৯৯৬ সালে ‘নির্মম’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পান।

 

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘হেনা কোথায়?’, ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন শাবনাজ

প্রকাশের সময় : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনাজ। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সিনেমা থেকে দূরে। তবে পর্দার আড়ালে থাকলেও হঠাৎ করেই ভাইরাল হলেন এ অভিনেত্রী। তার অভিনীত সিনেমার বিখ্যাত এক সংলাপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বেশ হাস্যরস।

হঠাৎ করে সবাই মজেছেন বাপ্পারাজের হেনায় (শাবনাজ)।

১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার ‘হেনা’র দৃশ্যটি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। সিনেমাটিতে বাপ্পারাজ ও শাবনাজ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সিনেমার একপর্যায়ে নায়ক বকুল (বাপ্পারাজ) দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফিরে তার প্রেমিকা হেনার (শাবনাজ) বাড়ি সাজানো দেখতে পান।

তিনি হেনার বাবাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘চাচা, বাড়িঘর এত সাজানো কেন? চাচা, হেনা কোথায়?’ জবাবে চাচা বলেন, ‘হেনাকে তুমি ভুলে যাও, হেনার বিয়ে হয়ে গেছে।’ বকুল তখন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘না না, হেনার বিয়ে হতে পারে না। এ আমি বিশ্বাস করি না।’ এরপর ‘প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছিঁড়ে, পাখি যায় উড়ে যায়’ গানটি বাজতে থাকে।

অনেকেই এই দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করছেন এবং নিজেদের মতামত ও অনুভূতি প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন পেজ, গ্রুপে বানানো হচ্ছে মিমস। মানুষের কমেন্ট বক্সেও অহরহ দেখা যাচ্ছে এই মিমস। তবে ঠিক কী কারণে এই সংলাপটি হঠাৎ করে ভাইরাল হলো, তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে নতুন করে পুরনো সিনেমার সংলাপ ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে শাবনাজ গণমাধ্যমকে বললেন, ‘আমি আর বাপ্পা ভাই তো খুব মজা নিচ্ছি।

তবে ভালো লাগছে, মানুষ যে ছবিটার কথা এখন আবার মনে করছে। নায়ক-নায়িকার আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে নিজেরা কানেক্ট করতে পারছেন। ছবিটা তখনো প্রশংসিত হয়েছে। এখনো প্রশংসিত হচ্ছে। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে এটা তো অনেক বড় পাওয়া। মুক্তির পর মানুষ ছবি দেখে, সেই সময়ে হয়তো হিট হয় বা আলোচিত হয়। এরপর তো মানুষ ভুলে যায়। কারণ, এত বছরে এত এত ছবি মুক্তি পেয়েছে, এত এত নতুন গল্প, নতুন সব কিছু—এর মধ্যে ২৯ বছর আগের সেই ছবির কথা ভুলে যাওয়ারই কথা। কিন্তু সেখানে আবার পুরো গল্প নিয়ে, পুরনো কথা নিয়ে চর্চা হচ্ছে—সত্যি খুব ভালো লাগছে।’

শাবনাজ আরো বলেন, ‘একটা ভালো সিনেমার শক্তি কত বেশি। এত বছর পরও এ প্রজন্ম সেই ছবির সংলাপ, দৃশ্য ও গানের সঙ্গে নিজেদের কানেক্ট করছে—এটাই ভীষণ ভালো লাগার। কারণ, এ প্রজন্মের ছেলে–মেয়েদের চিন্তাভাবনা তো একেবারেই আলাদা। অন্যরকম। তাদের সঙ্গে আমাদের বিশাল দূরত্বও। এরপরও তারা কানেক্ট করছে। আসলে আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা তো একই রকম। সর্বজনীন। আবেগ সব প্রজন্মেরই একই রকম। তাই ঠিকঠাকভাবে গল্প উপস্থাপন করতে পারলে তাতে সব প্রজন্মই কানেক্ট করতে পারবেই।’

১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বাপ্পারাজ ও শাবনাজ। সিনেমাটিতে হেনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাবনাজ। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনাজ, যিনি ১৯৯১ সালে ‘চাঁদনী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন। তার আসল নাম সাবরীনা তানিয়া। ১৯৯৬ সালে ‘নির্মম’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পান।