Dhaka ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেফতার নওগাঁয় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন ভোটার নিবন্ধনে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে বাজেট অনুমোদন ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার : পেন্টাগন কালীগঞ্জে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব সরকারি দলের

রাজবাড়ীতে পাট ও তিল ক্ষেতের আগাছা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
  • / 979

 

জনতার আদালত অনলাইন॥ কৃষি নির্ভর জেলা হিসেবে রাজবাড়ী পরিচিতি রয়েছে। প্রায় সব ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে পাট, তিল এবং আমন ধানের আবাদ করছেন কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে বেশি বৃৃষ্টি হওয়ায় আবাদি জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস জন্মেছে। যে কারণে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করছেন কৃষকেরা।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজবাড়ীতে এ বছর ৪৬ হাজার ৪৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। তিলের আবাদ হয়েছে পাঁচ হাজার ২৫০ হেক্টর এবং আউশ ধানের আবাদ হয়েছে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলাতেই পাট, তিল ও আউশ ধান আবাদ হয়েছে। আবাদি জমিতে ফসলের চাইতে আগাছাই জন্মেছে বেশি। আগাছাগুলো দেখলে মনে হবে সুন্দর ফসল জন্মেছে। যা খেতে আবাদি ফসলের ব্যাপক ভাবে ক্ষতি করছে। এ কারণে এবছর রাজবাড়ীতে পাট, তিল ও আউশ ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। বর্তমান সময়ে কৃষিশ্রমিক না পওয়ায় তারা আবাদি খেতের আগাছা ও ঘাস দমন করতে পারছেন না। তবে কেউ কেউ নিজের খেতের ফসল নিজেরাই পরিস্কার করছেন।

সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মান্নান তালুকদার ও তোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া জানান, তারা অনেক টাকা খরচ করে পাট এবং তিল আবাদ করেছেন। কিন্তু খেতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাসের কারনে ফসলগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফসল আবাদে যে পরিমাণ খরচ হয়েছে আগাছা তুলতে তার চেয়ে বেশি ব্যয় হতে পারে। কিন্তু শ্রমিকও পাচ্ছেন না তারা। একদিকে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে শ্রমিকের অত্যধিক মজুরির কারণে ফসলি জমির আগাছা সঠিক সময়ে তুলতে পারছেন না।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক গোপাল কৃষ্ণ দাস জানান, কৃষকদের পাট, তিল ও আউশ ধান আবাদি জমিতে আগাছা ও ঘাস জন্মেছে প্রচুর পরিমাণে। তবে এ জেলা থেকে ধান কাটতে শ্রমিকেরা অন্য জেলাতে চলে যাওয়ায় শ্রমিক কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া তাদের সহযোগিতায় কৃষি অফিসের কোন ধরনের প্রনোদনা নেই বলেও জানান তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে পাট ও তিল ক্ষেতের আগাছা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

 

জনতার আদালত অনলাইন॥ কৃষি নির্ভর জেলা হিসেবে রাজবাড়ী পরিচিতি রয়েছে। প্রায় সব ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে পাট, তিল এবং আমন ধানের আবাদ করছেন কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে বেশি বৃৃষ্টি হওয়ায় আবাদি জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস জন্মেছে। যে কারণে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করছেন কৃষকেরা।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজবাড়ীতে এ বছর ৪৬ হাজার ৪৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। তিলের আবাদ হয়েছে পাঁচ হাজার ২৫০ হেক্টর এবং আউশ ধানের আবাদ হয়েছে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলাতেই পাট, তিল ও আউশ ধান আবাদ হয়েছে। আবাদি জমিতে ফসলের চাইতে আগাছাই জন্মেছে বেশি। আগাছাগুলো দেখলে মনে হবে সুন্দর ফসল জন্মেছে। যা খেতে আবাদি ফসলের ব্যাপক ভাবে ক্ষতি করছে। এ কারণে এবছর রাজবাড়ীতে পাট, তিল ও আউশ ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। বর্তমান সময়ে কৃষিশ্রমিক না পওয়ায় তারা আবাদি খেতের আগাছা ও ঘাস দমন করতে পারছেন না। তবে কেউ কেউ নিজের খেতের ফসল নিজেরাই পরিস্কার করছেন।

সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মান্নান তালুকদার ও তোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া জানান, তারা অনেক টাকা খরচ করে পাট এবং তিল আবাদ করেছেন। কিন্তু খেতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাসের কারনে ফসলগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফসল আবাদে যে পরিমাণ খরচ হয়েছে আগাছা তুলতে তার চেয়ে বেশি ব্যয় হতে পারে। কিন্তু শ্রমিকও পাচ্ছেন না তারা। একদিকে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে শ্রমিকের অত্যধিক মজুরির কারণে ফসলি জমির আগাছা সঠিক সময়ে তুলতে পারছেন না।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক গোপাল কৃষ্ণ দাস জানান, কৃষকদের পাট, তিল ও আউশ ধান আবাদি জমিতে আগাছা ও ঘাস জন্মেছে প্রচুর পরিমাণে। তবে এ জেলা থেকে ধান কাটতে শ্রমিকেরা অন্য জেলাতে চলে যাওয়ায় শ্রমিক কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া তাদের সহযোগিতায় কৃষি অফিসের কোন ধরনের প্রনোদনা নেই বলেও জানান তিনি।