বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হবে? ৬৬ বছর আগের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্য? নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৯০০ কোটি টাকার তহবিল করবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটে পরিচালক নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক, নেপথ্যে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ বাতাসে ঘুরবে গাড়ি, বাজারে আনছে ইলন মাস্কের টেসলা ১ লাখ টাকার মধ্যে সেরা ৫ ল্যাপটপ এশিয়া কাপ আর্চারি: ইরাকে বন্যা-শ্রীপর্ণা-মনির সোনা জয় ভারতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো রিলসভিত্তিক ফেসবুক নিউজফিড ব্রাজিলিয়ান কুনিয়ার জোড়া গোলে অবিশ্বাস্য জয় ম্যানইউর রেকর্ড সৃষ্টি করে ৪৯২ কোটি টাকায় বিক্রি হলো ফেরারির ইলেকট্রিক গাড়ি ‘লুচে’

১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হবে? ৬৬ বছর আগের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্য?

মামুন হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 3
১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হবে? ৬৬ বছর আগের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্য?

পৃথিবীর ধ্বংস নিয়ে নানা মুনির নানা মত। যুগ যুগ ধরে বিজ্ঞজনেরা বলেছেন কবে, কখন, কীভাবে পৃথিবী ধ্বংস হবে। তাই পৃথিবী ধ্বংসের কথা এখন অনেকের কাছে ‘কাল্পনিক’ মনে হতে পারে। অনেকে এড়িয়ে যেতে পারেন এই লেখা। তবে এখানে দেওয়া হয়েছে এক ভিন্ন তথ্য, যা আপনাকে একটু হলেও অবাক করতে পারে।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

হ্যাঁ, আর মাত্র দিন দশেক বাকি! ৬৬ বছর আগে একদল বিজ্ঞানী হিসাব কষে বলেছিলেন, ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর মানবজাতির জন্য নেমে আসবে মহাবিপর্যয়! পৃথিবীর জনসংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে যে মানুষ নিজেদের চাপেই পিষ্ট হবে।

দিনটি যত এগিয়ে আসছে, ততই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে কি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংসের মুখে? কিন্তু ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সময়ের সঙ্গে জন্মহার কমে যাওয়ায় বদলে গেছে সেই হিসাব।

কীভাবে ভুল প্রমাণিত হলো বিজ্ঞানীদের এই ভবিষ্যদ্বাণী তাই তুলে ধরা হবে এই লেখায়।

ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব

১৯৬০ সালে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিল। শিরোনাম ছিল, ‘ডুমসডে: ফ্রাইডে, ১৩ নভেম্বর, এডি ২০২৬’। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর শুক্রবার পৃথিবী ধ্বংসের দিন!

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছিল, ওই দিন পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। মানুষের সংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে যে, শেষ পর্যন্ত মানবজাতি নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের কারণ হবে।

শুনতে কল্পবিজ্ঞানের গল্প মনে হলেও গবেষণাটি সে সময় বেশ গুরুত্ব পেয়েছিল। এমনকি, কয়েক দশক ধরে এর গাণিতিক হিসাবও যথেষ্ট নির্ভুলই মনে হচ্ছিল।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হবে? ৬৬ বছর আগের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্য?

প্রকাশের সময় : ০২:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

পৃথিবীর ধ্বংস নিয়ে নানা মুনির নানা মত। যুগ যুগ ধরে বিজ্ঞজনেরা বলেছেন কবে, কখন, কীভাবে পৃথিবী ধ্বংস হবে। তাই পৃথিবী ধ্বংসের কথা এখন অনেকের কাছে ‘কাল্পনিক’ মনে হতে পারে। অনেকে এড়িয়ে যেতে পারেন এই লেখা। তবে এখানে দেওয়া হয়েছে এক ভিন্ন তথ্য, যা আপনাকে একটু হলেও অবাক করতে পারে।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

হ্যাঁ, আর মাত্র দিন দশেক বাকি! ৬৬ বছর আগে একদল বিজ্ঞানী হিসাব কষে বলেছিলেন, ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর মানবজাতির জন্য নেমে আসবে মহাবিপর্যয়! পৃথিবীর জনসংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে যে মানুষ নিজেদের চাপেই পিষ্ট হবে।

দিনটি যত এগিয়ে আসছে, ততই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে কি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংসের মুখে? কিন্তু ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সময়ের সঙ্গে জন্মহার কমে যাওয়ায় বদলে গেছে সেই হিসাব।

কীভাবে ভুল প্রমাণিত হলো বিজ্ঞানীদের এই ভবিষ্যদ্বাণী তাই তুলে ধরা হবে এই লেখায়।

ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব

১৯৬০ সালে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিল। শিরোনাম ছিল, ‘ডুমসডে: ফ্রাইডে, ১৩ নভেম্বর, এডি ২০২৬’। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর শুক্রবার পৃথিবী ধ্বংসের দিন!

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছিল, ওই দিন পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। মানুষের সংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে যে, শেষ পর্যন্ত মানবজাতি নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের কারণ হবে।

শুনতে কল্পবিজ্ঞানের গল্প মনে হলেও গবেষণাটি সে সময় বেশ গুরুত্ব পেয়েছিল। এমনকি, কয়েক দশক ধরে এর গাণিতিক হিসাবও যথেষ্ট নির্ভুলই মনে হচ্ছিল।